আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩ জানুয়ারী ২০২৬: মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। সংবাদপত্রের প্রতিবেদন ও নিজস্ব তথ্যানুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদায়ী বছর ২০২৫ সালে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, মব-গণপিটুনি, সীমান্তে হত্যা, সাংবাদিক নির্যাতন এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে অন্তত ৩০ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এছাড়া দু’জনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় নাগরিকদের গুলিতে ও হামলায় আরও অন্তত সাতজন বাংলাদেশি নিহত হন। সব মিলিয়ে গত বছর ভারত সীমান্তে ৩৯টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আরও ৩৯ জন আহত এবং ৬৩ জন গ্রেফতার হয়েছেন। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অন্তত তিন হাজার ৪৯৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছে এবং ভারতীয় জলসীমার কাছে বঙ্গোপসাগর থেকে ১৪৩ জন বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় আরাকান আর্মির গুলিতে দু’জন আহত হয়েছেন। এছাড়া তাদের পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক আনসার সদস্যসহ ১২ জন আহত এবং একজন নিহত হয়েছেন। নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের জলসীমা থেকে আরাকান আর্মি ২১টি ট্রলারসহ অন্তত ১৭৬ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে।
এইচআরএসএস জানায়, ২০২৫ সালে সারাদেশে রাজনৈতিক ও দলীয় আধিপত্য বিস্তার, প্রতিশোধপরায়ণতা, সমাবেশকেন্দ্রিক সহিংসতা, কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত, চাঁদাবাজি ও দখলকে কেন্দ্র করে মোট ৯১৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ১৩৩ জন নিহত ও সাত হাজার ৫১১ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ৯৩ জন, আওয়ামী লীগের ২৩ জন, জামায়াতের তিনজন, ইনকিলাব মঞ্চের একজন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের একজন, ইউপিডিএফের ছয়জন এবং চরমপন্থি দলের একজন রয়েছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৫৪টি নির্বাচনী সহিংসতায় তিনজন নিহত ও ৪৯৪ জন আহত হন। এছাড়া ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের নামে কমপক্ষে ২৪৪টি মামলা হয়েছে। প্রতিবেদনে মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ২০২৫ সালে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, আধিপত্য বিস্তার ও ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে সংঘটিত ২৯২টি ঘটনায় মব-গণপিটুনিতে ১৬৮ জন নিহত এবং ২৪৮ জন আহত হন।
বিদায়ী বছরে সাংবাদিকদের ওপর ৩১৮টি হামলার ঘটনায় অন্তত ৫৩৯ জন সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন সাংবাদিক নিহত, ২৭৩ জন আহত ও নির্যাতিত, ৫৭ জন লাঞ্ছিত, ৮৩ জন হুমকির শিকার এবং ১৭ জন গ্রেফতার হন। ৩৪টি মামলায় ১০৭ জন সাংবাদিককে অভিযুক্ত করা হয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫-এর আওতায় ২৭টি মামলায় ২৪ জনকে গ্রেফতার এবং ৫৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ৪৭টি সভা-সমাবেশে বাধা, ১৪৪ ধারা জারি ও সংঘর্ষের ঘটনায় ৫১২ জন আহত এবং ৩৬ জন গ্রেফতার হন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশি হেফাজত, নির্যাতন, গুলি, কথিত বন্দুকযুদ্ধ ও সংঘর্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ছয়জন বন্দুকযুদ্ধে, ১২ জন নির্যাতনে, ১২ জন হেফাজতে এবং ১০ জন গুলিতে নিহত হন। পুলিশের ভয়ে পালাতে গিয়ে বা অসুস্থ হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া কারাগার ও কারা হেফাজতে অসুস্থতা, আত্মহত্যা ও নির্যাতনে ৯২ জন আসামি মারা যান, যাদের মধ্যে ৩০ জন কয়েদি ও ৬২ জন হাজতি।
২০২৫ সালে অন্তত দুই হাজার ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৮২৮ জন ধর্ষণের শিকার, যাদের ৪৭৪ জনই ১৮ বছরের নিচে। এছাড়া ১৭৯ জন নারী ও শিশু সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এবং ধর্ষণের পর ২৮ জনকে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনায় ১০ জন নারী আত্মহত্যা করেন। ৪১৪ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হন, যার মধ্যে শিশু ২৩৬ জন। যৌতুকের কারণে নির্যাতনে নিহত হন ৩৫ জন (এর মধ্যে চারজন আত্মহত্যা করেন) এবং আহত হন ৩২ জন। পারিবারিক সহিংসতায় ৩৮৩ জন নিহত হন, যার মধ্যে আত্মহত্যা করেন ১৯৪ জন, এবং আহত হন ১৩৩ জন। অ্যাসিড সহিংসতায় দুজন নিহত ও দুজন আহত হন।
এইচআরএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, মব সহিংসতা, হেফাজতে মৃত্যু, রাজনৈতিক উত্তেজনা, নির্বাচনী সহিংসতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের সমস্যাগুলোর সমাধান না হলে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাবে। তিনি মানবাধিকার রক্ষায় সরকারের আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানান এবং নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন