আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ০৭ জানুয়ারী ২০২৬: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে শুটার ফয়সাল করিমসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পীর নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিবি’র এই কর্মকর্তা বলেন, ওসমান হাদি একটি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন। তিনি সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অতীত কার্যক্রম নিয়ে সভা-সমাবেশ, ইলেকট্রনিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত সমালোচনামূলক বক্তব্য দিতেন। এসব বক্তব্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। এই রাজনৈতিক বিরোধ ও প্রতিহিংসার কারণেই সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পীর নির্দেশে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি গুলি চালান ফয়সাল করিম, যিনি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। তার সহযোগী ছিলেন মো. আলমগীর হোসেন, যিনি আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম, আলমগীর হোসেন ও তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তারা সবাই ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া ফয়সাল করিমের ভগ্নিপতি ও ফিলিপ নামে আরও একজন পলাতক রয়েছেন। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফয়সাল করিমের প্রকাশিত একাধিক ভিডিও বার্তা প্রসঙ্গে মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ফয়সালের তিনটি ভিডিও বার্তা পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এসব ভিডিওতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করা হয়নি। ফরেনসিক পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি, তবে প্রাথমিকভাবে ভিডিওগুলো আসল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফয়সাল যে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন, এই দাবি সঠিক নয়। তদন্তের তথ্য অনুযায়ী তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।
ডিবি জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যালিস্টিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পজিটিভ এসেছে। এছাড়া ফয়সাল করিম ও তার সহযোগীদের ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগে মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এর আগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিল, ডিএমপি’র সেই বক্তব্যও সঠিক বলে নিশ্চিত করেন ডিবি কর্মকর্তা।
ডিবি প্রধান আরও বলেন, তদন্তে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাক্ষীদের বক্তব্য, ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, উদ্ধার করা অস্ত্র, বুলেট ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ফরেনসিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আসামিদের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়েছে।
এই মামলায় যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে তারা হলেন, এজাহারনামীয় পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, মো. আলমগীর হোসেন, তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, হুমায়ুন কবির, হাসি বেগম, সাহেদা পারভীন সামিয়া, ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, নুরুজ্জামান ওরফে উজ্জ্বল, সিবিয়ন দিও, সঞ্জয় চিসিম ও আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু।
ডিবি জানায়, ভবিষ্যতে নতুন কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে বা অন্য কারও সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করা হবে। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি রাজধানীর পল্টন থানাধীন বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় পল্টন থানায় প্রথমে মামলা দায়ের করা হয়, যা পরবর্তীতে হত্যা মামলায় রূপ নেয়।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন