আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৬ মার্চ ২০২৬ বৃহস্পতিবার: আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকী আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্ব মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের। একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এর পরদিন ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাটে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ।
পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী শুরু থেকেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ন্যায্য অধিকার অস্বীকার করে দমন-পীড়ন চালায়। ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলের মানুষের ওপর শোষণ জারি রাখে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বাঙালিরা রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করে, যা স্বাধীনতার আন্দোলনে নতুন প্রেরণা যোগায়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পরও বাঙালির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা। এর প্রতিবাদে ১৯৭১ সালের মার্চে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা চালানো হলে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। আজ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের। তাদের ত্যাগের বিনিময়েই অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা।
এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্তির অভিজ্ঞতা জাতিকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষে ভোরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
আজ সরকারি ছুটি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দিয়েছেন। সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র ও নিবন্ধ প্রকাশ করেছে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান। দেশজুড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন