আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার, ১২ অক্টোবর ২০২৫: ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনে আর কোনো দায়িত্বে থাকবেন না বলে ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। রোববার, ১২ অক্টোবর ২০২৫, সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়ের সময় তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যেসব সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, তাদের বিচার আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে। ‘সেফ এক্সিট’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি দেশে থাকি, আমার সন্তানরাও দেশে থাকে, আমার সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে মাঠপর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং অফিসার ইন চার্জদের (ওসি) সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
উপদেষ্টা জানান, নির্বাচন চলাকালে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা সহিংসতার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাড়া নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক বডি-ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহের প্রক্রিয়া চলছে।’
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আরও জানান, নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে তিন দিন মেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের ১৩০টি ভেন্যুতে ২৮টি ব্যাচে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দুটি ব্যাচের ১৩ হাজার সদস্য ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব ব্যাচের প্রশিক্ষণ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া আনসার-ভিডিপির ৫ লাখ ৮৫ হাজার সদস্যকেও নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার সদস্য অস্ত্রসহ ও ৪ লাখ ৫০ হাজার সদস্য নিরস্ত্র প্রশিক্ষণ পাবেন। আগামী জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে এই প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হবে। অন্রদিকে নির্বাচনে বিজিবির ১ হাজার ১০০ প্লাটুনের ৩৩ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এ প্রশিক্ষণ ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি প্রায় ৮০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যকেও মোতায়েন করা হবে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন