অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

সিটি নির্বাচন সামনে রেখে মাঠে তৎপরতা জামায়াত-এনসিপি

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ৪ মে ২০২৬ সোমবার: ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তৎপরতা বাড়লেও এখনো আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা হয়নি। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নাগরিক সেবা সচল রাখতে সব সিটি করপোরেশনে অস্থায়ীভাবে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, প্রস্তুতি শেষে দ্রুত নির্বাচন শুরু হবে এবং ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে।

তফসিল ঘোষণার আগেই বিএনপি ছাড়া অন্য দলগুলো, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), প্রার্থী ঘোষণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছে। জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধ থাকলেও সিটি নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিতে চায় দুই দলই। এতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ঘিরে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে।

গত ২৯ মার্চ ২০২৬ এনসিপি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ পাঁচটি সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করে। উত্তরে আরিফুল ইসলাম আদিব ও দক্ষিণে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করা হয়। অন্যদিকে জামায়াত দক্ষিণে ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েমকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিলেও দলটি বলছে, এটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। উত্তরে জামায়াতের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এদিকে সাদিক কায়েমকে ঘিরে আলোচনার মধ্যে ইসলামী ছাত্রশিবির জানিয়েছে, সংগঠনের দায়িত্বে থাকা কেউ অন্য দলের প্রার্থী হতে পারবেন না।

জামায়াত ও এনসিপি সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন জোটগতভাবে নয়, এককভাবে করার পক্ষে তারা। এজন্য উভয় দলই সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে মাঠে কাজ করছে। এনসিপি ইতোমধ্যে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকারসহ কয়েকজনকে দলে নিয়েছে এবং আরও নেতাকে টানার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে জামায়াত জাতীয় নির্বাচনে ভালো ফলের পর সংগঠন আরও শক্তিশালী করতে তৎপরতা বাড়িয়েছে।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমোদনের পরই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। মাওলানা আবদুল হালিম জানান, এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, তবে প্রস্তুতি চলছে।

এনসিপির নেতারা বলছেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় স্থানীয় নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে, তাই নিজস্ব শক্তি যাচাই করতে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে তারা।

অন্যদিকে বিএনপিতে এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি। দলটির নেতারা জানান, তফসিল ঘোষণা না হওয়ায় প্রার্থী নির্ধারণ হয়নি, তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে। ঢাকা উত্তরে তাবিথ আউয়াল ও প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নাম আলোচনায় রয়েছে। দক্ষিণে প্রশাসক আব্দুস সালাম, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের নাম শোনা যাচ্ছে।

বিএনপির নেতারা মনে করছেন, জামায়াত ও এনসিপি সিটি নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারে। জাতীয় নির্বাচনে ঢাকার কয়েকটি আসনে জামায়াত ও এনসিপির সাফল্যের কারণে সিটি নির্বাচনেও তার প্রভাব পড়তে পারে। ফলে অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় নেতাদের মাঠে নামানো জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

বিএনপির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, তফসিল ঘোষণার পরই দলীয় সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে। ভোটার তালিকা প্রস্তুত, সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পরীক্ষা, আবহাওয়া ও প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে তফসিল ঘোষণা করা হবে, যার জন্য কমপক্ষে ৪৫ দিনের প্রস্তুতি প্রয়োজন।

সংস্কার/ইএমই

 

সম্পর্কিত খবর

স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারনামা : নিষিদ্ধ দলের সংশ্লিষ্টরা বাইরে

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন

নবম পে স্কেলের শুরুতেই মূল বেতন কার্যকরের দাবি সরকারি কর্মচারীদের

দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব

১ জুলাই থেকে কার্যকর নবম পে স্কেল : কম বেতনভোগীদের বাড়তি সুবিধা

দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তনের আভাস : আরপিও পুনর্লিখন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন