অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

সংসদ নির্বাচনে ১৮৪২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ : বাতিল ৭২৩

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ০৫ জানুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সারা দেশের রিটার্নিং কর্মকর্তারা গতকাল রোববার এই প্রাথমিক বাছাই সম্পন্ন করেন। এতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, নানা ধরনের ভুল ও ঘাটতির কারণে ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক শেষ দিনের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বাতিল হয়েছে, তাদের জন্য আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার ৫ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে রংপুর অঞ্চলে দাখিল করা ২৭৯টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ২১৯টি বৈধ এবং ৫৯টি বাতিল হয়েছে। রাজশাহী অঞ্চলে ২৬০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৮৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ও ৭৪ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। খুলনা অঞ্চলে ২৭৫ জনের মধ্যে ১৯৬ জন বৈধ এবং ৭৯ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বরিশাল অঞ্চলে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ১৬২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ১৩১ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৩১ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯৯ জন বৈধ এবং ১১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঢাকা অঞ্চলে ৪৪২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ৩০৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ১৩৩ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ফরিদপুর অঞ্চলে ১৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯৬ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৪৬ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। সিলেট অঞ্চলে ১৪৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ১১০ জন বৈধ ও ৩৬ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়। কুমিল্লা অঞ্চলে ৩৫৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫৯ জন বৈধ এবং ৯৭ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১৯৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৩৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ও ৫৬ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা জেলার ২০টি সংসদীয় আসনে জমা পড়া মোট ২৩৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১৬১টি বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্যের ঘাটতির কারণে ৮১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রাজধানীর তিনটি পৃথক দপ্তরে এই বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসক এবং ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা পৃথকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে মনোনয়নপত্র যাচাই করেন। এতে ১৬১ জনের মনোনয়ন বৈধ, ৮১ জনের আবেদন বাতিল এবং একজনের প্রার্থিতা স্থগিত করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক দলের প্রত্যয়নপত্র সঠিক না থাকা, হলফনামায় প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর বা নথির অভাব, ঋণখেলাপি হওয়া এবং ফৌজদারি মামলার তথ্য গোপন করার কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থীর লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

আপিল আবেদন কমিশন সচিবালয়ের সচিবের কাছে নির্ধারিত ফরমেটে জমা দিতে হবে। আবেদনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ উল্লেখ করে বিবৃতি এবং সংশ্লিষ্ট আদেশের সত্যায়িত কপি দিতে হবে। ১টি মূল কপিসহ মোট ৭টি কপি জমা দিতে হবে। নির্ধারিত কেন্দ্রের নিজ নিজ অঞ্চলের বুথে আপিল আবেদন জমা দিতে হবে। আপিলের রায়ের কপি পেতে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে, যা নির্বাচন কমিশনের আপিল সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

নির্বাচন কমিশন ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে আপিলগুলো নিষ্পত্তি করবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জাতীয় গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারনামা : নিষিদ্ধ দলের সংশ্লিষ্টরা বাইরে

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন

নবম পে স্কেলের শুরুতেই মূল বেতন কার্যকরের দাবি সরকারি কর্মচারীদের

দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব

১ জুলাই থেকে কার্যকর নবম পে স্কেল : কম বেতনভোগীদের বাড়তি সুবিধা

দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তনের আভাস : আরপিও পুনর্লিখন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন