আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৭৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ সদস্য কোটিপতি। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য অনুযায়ী ২৩৬ জন সংসদ সদস্য কোটিপতি এবং তাদের মধ্যে ১৩ জন শতকোটিপতি, এ তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি-তে টিআইবির কার্যালয়ে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের সংসদে সবচেয়ে বেশি শিক্ষক পেশার প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে পেশায় রাজনীতিবিদের সংখ্যা সবচেয়ে কমেছে। ত্রয়োদশ সংসদের ৮৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ সদস্য স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা তার চেয়ে উচ্চ ডিগ্রিধারী।
সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব মাত্র ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা ২০০৮ সালের নবম সংসদের অর্ধেক এবং সর্বনিম্ন। প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন ২০৯ জন সদস্য, যা মোটের ৭০ শতাংশ। সম্ভাব্য সংসদ নেতা ও বিরোধী দলীয় নেতাও প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন। পেশাভিত্তিক হিসেবে প্রায় ৬০ শতাংশ সদস্য ব্যবসায়ী। তবে দ্বাদশ সংসদের তুলনায় ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৫ শতাংশ কমেছে, আর নবম সংসদের তুলনায় ৩ শতাংশ বেড়েছে।
টিআইবি জানায়, ত্রয়োদশ সংসদের অর্ধেক সদস্যের ঋণ রয়েছে। সদস্যদের মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা গত চার সংসদের মধ্যে সর্বোচ্চ। দলভিত্তিক হিসেবে বিএনপিতে ঋণগ্রস্ত সদস্যের হার ৬২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীতে ১৬ শতাংশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যয়ের সীমা অনলাইন ও অফলাইনে একক ও যৌথভাবে ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। শীর্ষ দুই দল বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে লঙ্ঘনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। নির্ধারিত সীমার তুলনায় অফলাইন প্রচারণা ব্যয় ১৯ শতাংশ থেকে ৩২৮ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যয়ের লঙ্ঘনে শীর্ষে বিএনপি (৩২৭ দশমিক ৫ শতাংশ), স্বতন্ত্র প্রার্থী (৩১৫ দশমিক ২ শতাংশ), জামায়াত (১৫৯ দশমিক ১ শতাংশ), জাতীয় পার্টি (১২৮ দশমিক ৬ শতাংশ) এবং এনপিপি (১৯ দশমিক শূন্য শতাংশ)।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন