আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৪ মার্চ ২০২৬: বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ হবে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এসব অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করতে হবে, অন্যথায় সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে ১২ মার্চ। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদ ভেঙে থাকা বা অধিবেশন না থাকলে জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ৫৫৯ দিনের শাসনামলে দ্রুতগতিতে বহু অধ্যাদেশ জারি করা হয়। গড়ে পাঁচ দিনেরও কম সময়ে একটি করে অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল।
সংবিধান অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করতে হলে বর্তমান সরকারকে দিনে গড়ে প্রায় সাড়ে চারটি করে অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করতে হবে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই উত্থাপন করা হবে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে যেসব অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করা সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের তিন দিন পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। শুরুতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল এই সরকারকে সমর্থন জানায়। আইন মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বছরে ১৭টি, ২০২৫ সালে ৮০টি এবং ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ে অধ্যাদেশ জারি করায় বিএনপির আপত্তি ছিল। বিশেষ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আদেশ নিয়ে দলটি প্রশ্ন তোলে। এছাড়া সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নেওয়া ব্যক্তিদের বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ‘সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতি দেওয়ার অধ্যাদেশ নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
এ ছাড়া রাজধানীর সাত সরকারি কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের অধ্যাদেশ এবং সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩২ বছর করার অধ্যাদেশকেও বিএনপি স্পর্শকাতর হিসেবে দেখছে। এসব বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলছে দলটি।
তবে বাজেট সংশ্লিষ্ট বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি এবং নির্দিষ্টকরণ আইন সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে দায়মুক্তি, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা ইত্যাদি বিষয়ে জারি করা অধ্যাদেশের ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
সংসদ সচিবালয়ের আইন শাখার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ অধ্যাদেশ সংসদ গ্রহণ নাও করতে পারে। কারণ জরুরি প্রয়োজনে কয়েকটি অধ্যাদেশ জারি হলেও অনেকগুলো অপ্রয়োজনীয়ভাবে করা হয়েছে। সরকার চাইলে সব অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন নাও করতে পারে। বাছাই করে কিছু অধ্যাদেশ সংসদে তোলা হবে এবং সংসদ সদস্যদের মতামত নিয়ে সেগুলো আইনে পরিণত করা হবে। প্রয়োজনে সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজন করে নতুন আইনে রূপ দেওয়া হতে পারে।
সরকার ও সংসদ সচিবালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৩৩টি অধ্যাদেশের বেশিরভাগই আইনে রূপান্তর হচ্ছে না। বর্তমানে যেগুলো প্রয়োজনীয় ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়, সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তালিকা চূড়ান্ত করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই খসড়া প্রস্তুত করা হবে।
এছাড়া কয়েকটি অধ্যাদেশ কিছু উপদেষ্টার ব্যক্তিগত স্বার্থে জারি হয়েছে, এমন অভিযোগও রয়েছে। সব অধ্যাদেশ যথাযথ প্রক্রিয়ায় জারি হয়েছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ফলে প্রয়োজনীয় ও গ্রহণযোগ্য অধ্যাদেশগুলো বাছাই করে সংসদে উত্থাপন করে আইনে পরিণত করার প্রস্তুতি চলছে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন