আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২২ জানুয়ারী ২০২৬: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ সময়ে সারা দেশের মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য নতুন বেতন গ্রেড, ছুটি এবং চাকরির নিশ্চয়তা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। সরকার ২০০৬ সালের নীতিমালা হালনাগাদ করে মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫ প্রণয়ন করেছে, যা গত সোমবার গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন নীতিমালার মাধ্যমে মসজিদে কর্মরত জনবলের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের রূপরেখা তৈরি হয়েছে। এ নীতিমালা প্রণয়নে ধর্ম-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি কাজ করেছে এবং চূড়ান্ত করার আগে দেশের প্রখ্যাত আলেম-ওলামা ও ইমাম-খতিব সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভা করা হয়। এসব সভায় ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন প্রধান অতিথি ছিলেন।
নীতিমালা অনুযায়ী, খতিব ছাড়া অন্যান্য কর্মীদের গ্রেডভিত্তিক বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিবের বেতন চুক্তিপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। তবে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও পাঞ্জেগানা মসজিদের ক্ষেত্রে সামর্থ্য অনুযায়ী বেতন-ভাতা নির্ধারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন নীতিমালায় যে বেতন গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে তা হলো, সিনিয়র পেশ ইমাম: জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৫ম গ্রেড, পেশ ইমাম: ৬ষ্ঠ গ্রেড, ইমাম: ৯ম গ্রেড, প্রধান মুয়াজ্জিন: ১০ম গ্রেড, মুয়াজ্জিন: ১১তম গ্রেড, প্রধান খাদেম: ১৫তম গ্রেড, খাদেম: ১৬তম গ্রেড।
মসজিদে কর্মরত জনবলের প্রয়োজন বিবেচনায় সামর্থ্য অনুযায়ী সপরিবারে আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যৎ কল্যাণের জন্য মাসিক সঞ্চয়ের বিধান রাখা হয়েছে এবং চাকরি শেষে এককালীন সম্মানী প্রদানের নির্দেশনাও রয়েছে।
ছুটির বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে, কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ চার দিন সাপ্তাহিক ছুটি ভোগ করা যাবে। এছাড়া পঞ্জিকাবর্ষে ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি এবং প্রতি ১২ দিনে এক দিন করে অর্জিত ছুটির সুযোগ থাকবে।
এ নীতিমালা অনুযায়ী, মসজিদের কোনো পদে নিয়োগের জন্য সাত সদস্যের একটি বাছাই কমিটি থাকবে। কমিটির সুপারিশ ছাড়া সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না। নিয়োগপত্রে বেতন-ভাতা, দায়িত্ব ও চাকরি-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় উল্লেখ করতে হবে।
নীতিমালায় মসজিদে নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নতুন পদ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। নারীদের জন্য শরিয়তসম্মতভাবে পৃথক নামাজের কক্ষ বা স্থান রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির আকার বাড়িয়ে ১৫ সদস্য করা হয়েছে, তবে মসজিদের আয়, আয়তন ও অবস্থান বিবেচনায় সদস্যসংখ্যা কমবেশি করা যাবে।
চাকরি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ৩০ দিনের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আপিল করতে পারবেন। নীতিমালা বাস্তবায়নে কোনো জটিলতা দেখা দিলে তা নিরসনে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের বিধানও রাখা হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন