আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩ জানুয়ারী ২০২৬: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা ড. হামিদুর রহমান আজাদ তার মনোনয়ন বাতিলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত আইনসঙ্গত হয়নি। মঙ্গলবার ৩ জানুয়ারি ২০২৬ রাতে কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ড. হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময় তথাকথিত কাংগারু কোর্টে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের (Judicial Killing) বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে ২০১৩ সালে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাকে তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, সেই সাজা বাতিল সংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। যেহেতু বিষয়টি এখনো উচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে, সে ক্ষেত্রে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের পক্ষ থেকে তার মনোনয়ন বাতিল করা আইনসঙ্গত হয়নি।
ড. হামিদুর রহমান আজাদ আরও অভিযোগ করেন, জেলা রিটার্নিং অফিসার এবং তার আশপাশের কিছু ব্যক্তি ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসর হিসেবে কাজ করছেন। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হবেন বলেও ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যদি আইন অনুযায়ী আমার মনোনয়ন বাতিল হয়ে থাকে, তবে আমি তা মেনে নেব। কিন্তু যদি অন্যায় ও বেআইনিভাবে হয়ে থাকে, তবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, অধ্যাপক আবু তাহেরসহ জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন