আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে হলে পরিচয় যাচাইয়ের স্বার্থে নারী ভোটারকে অবশ্যই মুখ দেখাতে হবে। ভুয়া ভোট রোধে এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে পর্দানশিন নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইসি সূত্র জানায়, ভোটকেন্দ্রে ছবিসহ ভোটার তালিকার সঙ্গে ভোটারের চেহারা মিলিয়ে ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। কোনো ভোটার মুখ না দেখালে তার পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, সে ক্ষেত্রে ব্যালট পেপার দেওয়া হবে না। তবে নারী ভোটার যদি পুরুষ কর্মকর্তার সামনে নেকাব বা বোরকা খুলতে অনিচ্ছুক হন, তাহলে তার পরিচয় যাচাই করবেন মহিলা পোলিং অফিসার।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ছবিসহ ভোটার তালিকা থাকবে এবং ভোট দেওয়ার আগে ভোটারের চেহারার সঙ্গে ছবির মিল বাধ্যতামূলক। এটি ভোট পরিচালনা বিধির অংশ। তিনি জানান, নারী ভোটার নারীর সামনে মুখ দেখালে পর্দা ভঙ্গ হয় না। ইসিসংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে নারী ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিতে মহিলা পোলিং অফিসার ও নারী আনসার নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে কোনো কেন্দ্রে নারী কর্মকর্তা না থাকলে এবং কোনো নারী মুখ দেখাতে অনিচ্ছুক হলে তাকে জোর করে ভোট দিতে বাধ্য করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে ভোট না দিলেও তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
আইন বিশেষজ্ঞ ও ইসলামী চিন্তাবিদরা জানান, পরিচয় যাচাইয়ের প্রয়োজনে মুখ দেখানো আইন ও ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ। তবে যেখানে বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে নারী কর্মকর্তার মাধ্যমেই যাচাই করা উত্তম। ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী বলেন, নারী কর্মকর্তা না থাকলে এবং কেউ মুখ দেখাতে না চাইলে তার জন্য ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক নয় এবং এতে কোনো গুনাহ বা আইনি অপরাধ হয় না। নির্বাচন কমিশন সূত্র আরও জানায়, এবারের নির্বাচনে ব্যালট পেপারে ভোট হবে। ফলে ইভিএমের মতো আঙুলের ছাপের মাধ্যমে পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ নেই। তাই চেহারা ও ছবির মিলের মাধ্যমেই ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ অনুযায়ী, ভোট গ্রহণের সময় ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করা নির্বাচন কর্মকর্তার আইনগত দায়িত্ব। একই সঙ্গে ভোটারের মর্যাদা, সম্মান ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখছে নির্বাচন কমিশন।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন