আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতে ২৯৭ জন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সংসদ সদস্যরা নির্ধারিত আইন অনুযায়ী বেতন, ভাতা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পান। এসব সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট (রিমিউনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার, ১৯৭৩’ অনুযায়ী, যা সময়ের সঙ্গে একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্যের মূল বেতন ৫৫ হাজার টাকা। নির্বাচনী এলাকা পরিচালনার জন্য মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা দেওয়া হয়। আপ্যায়ন ভাতা ৫ হাজার টাকা এবং পরিবহন বাবদ ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এই পরিবহন ভাতার মধ্যে জ্বালানি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতন অন্তর্ভুক্ত।
এ ছাড়া অফিস পরিচালনার জন্য মাসে ১৫ হাজার টাকা, লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং বিবিধ খরচের জন্য ৬ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। অর্থাৎ দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খরচের জন্য আলাদা ভাতা নির্ধারিত রয়েছে। যানবাহনের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা শুল্ক, ভ্যাট ও করমুক্তভাবে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানির সুযোগ পান। দায়িত্বের পাঁচ বছর পূর্ণ হলে একই সুবিধায় নতুন আরেকটি গাড়ি আমদানির সুযোগ রয়েছে।
ভ্রমণ সুবিধার আওতায় বিমান, রেল বা নৌপথে যাতায়াতে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড় গুণ পর্যন্ত ভাতা পাওয়া যায়। সড়কপথে কিলোমিটারপ্রতি নির্ধারিত হারে ভাতা দেওয়া হয়। দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের জন্য বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা অথবা বিকল্প হিসেবে ট্রাভেল পাসের সুবিধা রয়েছে। দায়িত্বস্থলে অবস্থানকালে প্রতিদিন ৭৫০ টাকা দৈনিক ভাতা ও ৭৫ টাকা যাতায়াত ভাতা দেওয়া হয়। সংসদ অধিবেশন বা সংসদীয় কমিটির বৈঠকে অংশ নিলে দৈনিক ভাতা ৮০০ টাকা এবং যাতায়াত ভাতা ২০০ টাকা প্রাপ্য হয়।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমমানের সুবিধা পান। পাশাপাশি মাসে ৭০০ টাকা চিকিৎসাভাতা দেওয়া হয়। দায়িত্ব পালনকালে দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার সরকারি বীমা সুবিধা রয়েছে। এছাড়া বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত একটি ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
টেলিযোগাযোগ সুবিধার অংশ হিসেবে বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ দেওয়া হয়। মাসিক টেলিফোন ভাড়া ও কল খরচ বাবদ ৭ হাজার ৮০০ টাকা বরাদ্দ থাকে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সংসদ সদস্যদের প্রাপ্ত ভাতাগুলো আয়করমুক্ত হিসেবে গণ্য হয়। সব মিলিয়ে বেতনের বাইরে দায়িত্ব পালনের জন্য বিভিন্ন খাতে একাধিক আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা পেয়ে থাকেন সংসদ সদস্যরা।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন