আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৬ জানুয়ারী ২০২৬: বিদ্যুৎ কেনার দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন চুক্তিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য পেয়েছে বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ম তদন্তে গঠিত জাতীয় কমিটি। কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদানির ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তির সঙ্গে জড়িত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দপ্তরসহ সরকারের ৫-৬ জন শীর্ষ কর্মকর্তার বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে অর্থ কারা দিয়েছে বা কীভাবে দিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত প্রমাণ মেলেনি। বিষয়টি তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার বিকেলে রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় কমিটি তাদের ১৫২ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন ও ৩০ পৃষ্ঠার সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ কেনার জন্য দেশি-বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে করা প্রায় সব চুক্তিই দেশের স্বার্থের পরিপন্থী এবং দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। সবচেয়ে বেশি অনিয়ম হয়েছে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে করা চুক্তিতে। একইভাবে রিলায়েন্স গ্রুপকেও অনৈতিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
কমিটির তথ্যে জানা যায়, রিলায়েন্স ভারতের একটি পরিত্যক্ত ৭১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে স্থাপন করে। গ্যাসের অভাব জানা থাকা সত্ত্বেও সরকার তাদের সঙ্গে চুক্তি করে। পরে রিলায়েন্স ওই কেন্দ্র জাপানের জেরা কোম্পানির কাছে বিক্রি করে বাংলাদেশ ত্যাগ করে। কমিটি জানায়, আদানির সঙ্গে করা চুক্তির কারণে বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫০ কোটি ডলার বা ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি বিল দিচ্ছে। ২৫ বছরে এই অতিরিক্ত পরিশোধের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার বা দেড় লাখ কোটি টাকা। কমিটির সভাপতি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ মিললে সরকার চাইলে আদানির চুক্তি বাতিলও করতে পারে।
কমিটির সদস্য ড. জাহিদ হোসেন জানান, আদানিসহ অন্যান্য আইপিপি মালিক, রাজনীতিক ও আমলাদের একটি সিন্ডিকেট বিদ্যুৎ খাতকে সংকটে ফেলেছে। প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি খাতে অতিরিক্ত ৭,৭০০ থেকে ৯,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ না পেলেও সরকারকে বছরে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে।
আদানি চুক্তি নিয়ে কমিটি জানায়, কেন্দ্রটি মহেশখালীতে হওয়ার কথা থাকলেও ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় স্থাপন করা হয়, যার কোনো যুক্তিসংগত নথি পাওয়া যায়নি। অস্ট্রেলিয়া থেকে কয়লা এনে দীর্ঘ সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ এনে বাংলাদেশে সরবরাহ করা হচ্ছে, ফলে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। যেখানে ভারতের অন্য কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৪.৪৬ সেন্টে কেনা হয়, সেখানে আদানি থেকে কেনা হচ্ছে ১৪.৮৭ সেন্টে।
অধ্যাপক মোস্তাক হোসেন খান জানান, আদানির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে তদন্ত চলছে। বাংলাদেশ সরকারও চুক্তি যাচাইয়ে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একজন আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে। তিনি বলেন, চুক্তি বাতিল হলে সাময়িক বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে দেশ বড় আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।
তদন্তে আরও উঠে আসে, ২০১০ সালের বিশেষ আইনের আওতায় করা বিদ্যুৎকেন্দ্র চুক্তিগুলোতে তেলভিত্তিক কেন্দ্রে ৪০–৫০ শতাংশ, গ্যাসভিত্তিকে ৪৫ শতাংশ এবং সৌর বিদ্যুতে ৭০–৮০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম নেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে পিডিবির লোকসান ছিল ৫,৫০০ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায়।
জাতীয় কমিটির হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতে সরকারের মোট লোকসান ১ লাখ ৮ হাজার ১০২ কোটি টাকা এবং ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ১০৬ কোটি টাকা। বর্তমানে পিডিবির কাছে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি কোম্পানির পাওনা রয়েছে ৫৫ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা।
কমিটি সব বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির তথ্য প্রকাশ, দরপত্রের মাধ্যমে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন, স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দুর্নীতির প্রমাণ মিললে চুক্তি বাতিলের সুপারিশ করেছে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন