আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
মহান বিজয় দিবসকে আরও মহিমান্বিত ও আকর্ষণীয় করে তুলতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে মনোজ্ঞ ফ্লাই পাস্ট, প্যারাজাম্প এবং বিশেষ এ্যারোবেটিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে একটি সমন্বিত ব্যান্ড পরিবেশনের আয়োজন করা হয়। ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল বাদ্য পরিবেশন করে। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনীর সেনানিবাস বা ঘাঁটি সংলগ্ন এলাকাগুলোতে সীমিত আকারে ব্যান্ড পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে বিমান বাহিনীর উদ্যোগে খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, নাটোর, বগুড়া, চট্টগ্রাম শহর ও ফৌজদারহাট এলাকা, কক্সবাজার এবং মাতারবাড়ী এলাকায় সীমিত আকারে ফ্লাই পাস্ট পরিচালনা করা হয়।
বিজয়ের ৫৪তম বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিকুর রহমানসহ সশস্ত্র বাহিনীর ৫৩ জন সদস্য মিলিয়ে মোট ৫৪ জন প্যারাট্রুপার বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের মাধ্যমে আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করেন। এটি এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্প। যদিও এখনো এই রেকর্ড গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে লিপিবদ্ধ হয়নি, তবে সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে উদ্যোগটি সফল হলে প্রথমবারের মতো এ ধরনের রেকর্ড বাংলাদেশের নামে অন্তর্ভুক্ত হবে। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই আয়োজন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সক্ষমতার পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সব বাংলাদেশির মধ্যে জাতীয় গৌরব ও আত্মপরিচয়ের অনুভূতি আরও জোরদার করবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরাসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা ও পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, পাগলা (নারায়ণগঞ্জ) ও বরিশালসহ বিভিন্ন বিআইডব্লিউটিসি ঘাটে নৌবাহিনীর নির্ধারিত জাহাজগুলো দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। পাশাপাশি সামরিক জাদুঘরসহ তিন বাহিনীর অন্যান্য জাদুঘরও বিনা টিকিটে সর্বসাধারণের জন্য খোলা রাখা হয়।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন