আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৫ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার: নতুন অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত ১০টি অগ্রাধিকার খাতে অর্থের ব্যবহার পর্যালোচনা শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এসব খাতের মধ্যে রয়েছে, পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি, গৃহায়ন, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, কৃষি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ, শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা এবং বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি।
দীর্ঘ দেড় যুগ পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় এসে বাজেট প্রণয়ন ও চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এসব খাতে বরাদ্দের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে চায়। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এসব খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে কিনা এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। ৭ এপ্রিল ২০২৬ অর্থ মন্ত্রণালয়ে এ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন বাজেটে কোন খাতে কত বরাদ্দ থাকবে বা নতুন খাত যুক্ত হবে কিনা, সে বিষয়ে অর্থমন্ত্রী নিজস্ব মতামত তুলে ধরবেন। পাশাপাশি অতীতের বরাদ্দ ও বাস্তবায়নের চিত্রও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
এদিকে, ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ মজুত কমে যাওয়া এবং সিন্ডিকেটের কারসাজির কারণে খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে বিদ্যুৎ খাতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্নীতি, বিদ্যুৎ আমদানিতে অপচয় এবং ক্যাপটিভ চার্জে আর্থিক অনিয়মের বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিকল্প জ্বালানি উৎস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ভর্তুকি ও মূল্য সমন্বয়ের বিষয়গুলো বাজেটে অগ্রাধিকার পাবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে জুন পর্যন্ত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত ৩০০ কোটি ডলার প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও এআইআইবি থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৪৯ শতাংশ এবং এলএনজির দাম ৮৩ শতাংশ বেড়েছে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৭ ডলার থেকে বেড়ে ১২০ ডলার এবং এলএনজি ১২ ডলার থেকে ২২ ডলারে পৌঁছেছে।
বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপও বাড়ছে। গত অর্থবছরে এ খাতে ভর্তুকি ব্যয় হয়েছে ৫৯ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে বাজেটে বরাদ্দ ছিল ৩৭ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে ৩৬ হাজার কোটিতে নামানো হয়। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে ২৬ হাজার কোটি টাকা ছাড় হয়েছে। সম্প্রতি আরও ২০ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা অনুমোদিত হলে মোট ভর্তুকি ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।
আগামী বাজেটের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অর্থমন্ত্রী ইতোমধ্যে অর্থনীতিবিদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, ব্যবসা সহজীকরণ, পুঁজিবাজার উন্নয়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও ডিজিটাল সেবার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সরকার ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি ঋণ মওকুফ, নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষি কার্ড চালু ও ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজেটের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমানো। একই সঙ্গে এমন খাতে বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন, যা সাধারণ মানুষের সরাসরি উপকারে আসে এবং জ্বালানি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন