অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

বাংলা উইকিপিডিয়া থেকে জুলাই বিপ্লবের তথ্য মুছে ফেলার অভিযোগে

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১০ জানুয়ারী ২০২৬: মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ হিসেবে পরিচিত উইকিপিডিয়ায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আন্দোলনের নেতাদের নাম, তথ্য ও অবদান পরিকল্পিতভাবে মুছে ফেলা ও বিকৃত করার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর থেকে একটি সংঘবদ্ধ আদর্শিক গোষ্ঠী বাংলা উইকিপিডিয়ায় সক্রিয় হয়ে এসব কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এই গোষ্ঠী জুলাই বিপ্লবের শহীদদের পেজ মুছে ফেলা, তথ্য বিকৃত করা এবং আন্দোলনের নেতাদের বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং ভারতপন্থি বয়ান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলা উইকিপিডিয়াকে কার্যত নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ বিষয়ে দ্রুত সরকারি পদক্ষেপ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ হামলায় তিন জেলায় ছয়জন নিহত হন। এই ঘটনাই পরবর্তীতে দেশে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা করে। হাসিনা সরকারের পতনের আগে ও পরে এসব শহীদ রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও স্মরণীয় হয়ে ওঠেন।

চট্টগ্রামে নিহত ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম ও ছাত্রশিবির নেতা ফয়সাল আহমেদ শান্তের নামে উইকিপিডিয়ায় যথাযথ সূত্রসহ পেজ তৈরি করা হলেও নি৭ বা অগুরুত্বপূর্ণ বিষয় ধারায় সেগুলো মুছে ফেলা হয়। সংশ্লিষ্ট লেখক দীর্ঘ ছয় বছর ধরে উইকিপিডিয়ায় কাজ করলেও কোনো আলোচনা ছাড়াই পেজ অপসারণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে জুলাই শহীদ ইমতিয়াজ আহমেদ জাবিরের পেজও মুছে ফেলা হয়। আরও জানা গেছে, জুলাই বিপ্লবের প্রায় সব শহীদের পেজ একই ধারায় অপসারণ করা হয়েছে। কেবল হাতে গোনা কয়েকজন শহীদের পেজ টিকে আছে, যেগুলোও নিয়মিত সম্পাদনা ও মুছে ফেলার চেষ্টার মুখে রয়েছে।

জুলাই বিপ্লবের পর জনপ্রিয় হয়ে ওঠা রাজনৈতিক দল, প্ল্যাটফর্ম ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পেজও অপসারণের চেষ্টা চলছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সাদিক কায়েম, শরীফ ওসমান হাদি, আলী আহসান জুনায়েদ, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, নাছির উদ্দিন নাছির, নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাহিদুল ইসলাম, রাশেদ খান, আব্দুল হান্নান মাসুদসহ বহু নেতার পেজ একাধিকবার মুছে ফেলা হয়েছে। প্রতিবারই নি৭ ধারা ব্যবহার করা হয়েছে, যদিও তারা সাম্প্রতিক জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদির পেজ তার নিহত হওয়ার পর ফিরিয়ে আনা হলেও আগে বহুবার তা মুছে ফেলা হয়েছিল। ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের পেজ অন্তত ১৩ বার মুছে ফেলার পর সম্প্রতি পুনর্বহাল করা হয়। তবে অনেক জাতীয় পর্যায়ের নেতার পেজ এখনো নিয়মিতভাবে অপসারণ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের নামে বাংলা ও ইংরেজিতে একাধিক পেজ বহাল রয়েছে, যেখানে তার প্রশংসামূলক তথ্য রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সেসব তথ্য উল্লেখ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পতিত আওয়ামী লীগের আরও অনেক নেতার ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশংসামূলক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

শহীদদের পক্ষে লেখা বা মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলায় একাধিক লেখকের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রশাসকদের কাছে প্রশ্ন পাঠানো হলেও তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

উইকিপিডিয়ার নিয়মিত লেখক মামুন হোসেন বলেন, বাংলা উইকিপিডিয়া একটি নির্দিষ্ট আদর্শিক গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। আরেক লেখক হাসনাত সিদ্দিকী মুরাদ বলেন, এটি আর উন্মুক্ত বিশ্বকোষ নেই, বরং বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের অংশ হয়ে উঠেছে। লেখক সৌরভও একই অভিযোগ তুলে ধরেন।

জুলাই বিপ্লবের সংগঠক ও ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই সমস্যা মোকাবিলা কঠিন। সরকারের উচিত সংশ্লিষ্ট আইডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং জাতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তথ্য সঠিকভাবে তুলে ধরা।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, উইকিপিডিয়া সরকার পরিচালিত নয়। তাই উইকিপিডিয়া কমিউনিটির সঙ্গে আলোচনা করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে এবং এ বিষয়ে উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলা হবে।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারনামা : নিষিদ্ধ দলের সংশ্লিষ্টরা বাইরে

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন

নবম পে স্কেলের শুরুতেই মূল বেতন কার্যকরের দাবি সরকারি কর্মচারীদের

দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব

১ জুলাই থেকে কার্যকর নবম পে স্কেল : কম বেতনভোগীদের বাড়তি সুবিধা

দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তনের আভাস : আরপিও পুনর্লিখন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন