অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বন্ধ হচ্ছে নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বন্ধ হচ্ছে নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান

সংস্কার ০১ ডিসেম্বর ২০২৫: দেশের আর্থিক খাতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অস্থিরতা মোকাবিলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক অবশেষে একটি বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে দুর্বল অবস্থায় থাকা নয়টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। রোববার ৩০ নভেম্বর ২০২৫ গভর্নর আহসান এইচ. মনসুরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ড সভায় এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হবে সদ্য প্রণীত ব্যাংক রেজুলিউশন অধ্যাদেশ-২০২৫-এর বিধান অনুযায়ী,যা প্রথমবারের মতো ব্যাংক ও এনবিএফআই পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা লিকুইডেশনের জন্য পূর্ণাঙ্গ নীতি কাঠামো দিয়েছে।

বন্ধ ঘোষণা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় রয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স,বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি),প্রিমিয়ার লিজিং,ফারইস্ট ফাইন্যান্স,জিএসপি ফাইন্যান্স,প্রাইম ফাইন্যান্স,আবিভা ফাইন্যান্স,পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। এই নয়টি প্রতিষ্ঠান একাই সমগ্র এনবিএফআই খাতের খেলাপি ঋণের ৫২ শতাংশের দায় বহন করছে। গত বছরের হিসাব অনুযায়ী এই পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৮৯ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে,এসব প্রতিষ্ঠানে আটকে আছে মোট ১৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার আমানত। এর মধ্যে ব্যক্তিগত আমানত রয়েছে ৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা এবং ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের আমানত মিলিয়ে রয়েছে আরও ১১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন,বহু বছর ধরে দুর্বল তদারকি,সম্পর্কিত দলকে অনিয়ন্ত্রিত ঋণ প্রদান,খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে ব্যর্থতা এবং সম্পদের মূল্য অতিরঞ্জন এমন নানা কারণে এই প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত অদৃশ্য দেউলিয়াত্বে ভুগছিল। এ বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ২০টি ঝুঁকিপূর্ণ এনবিএফআইকে রেড ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত করেসে তালিকা থেকেই নয়টি প্রতিষ্ঠানকে বন্ধের আওতায় আনা হয়েছে।

অন্যদিকে বাকি ১১টি প্রতিষ্ঠান সিভিসি ফাইন্যান্স,বে লিজিং,ইসলামিক ফাইন্যান্স,মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স,হজ ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল ফাইন্যান্স,আইআইডিএফসি,উত্তরা ফাইন্যান্স,ফিনিক্স ফাইন্যান্স,ফার্স্ট ফাইন্যান্স এবং ইউনিয়ন ক্যাপিটালএর ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। এদেরকে পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশের আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নেওয়া এই পদক্ষেপ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

সংস্কার/ইএফহ

সম্পর্কিত খবর

জুন থেকে বাড়ছে বিদ্যুতের খুচরা দাম : গড়ে বাড়তে পারে ২০ শতাংশ

ঈদুল আজহার পর দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য বাড়তি ব্যয়ের চাপ আসছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) শিগগিরই বিদ্যুতের নতুন খুচরা মূল্য ঘোষণা করতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে এবং নতুন ট্যারিফ জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে। তবে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ২৩ লাখ ডলারের নতুন সহায়তা ফিনল্যান্ডের

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য নতুন করে ২০ লাখ ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ২৩ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা ঘোষণা করেছে ফিনল্যান্ড। বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই অনুদানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রবিবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা এ তথ্য জানায়। সংস্থাটির মতে,

৮০০ কোটি ইউরো পাচার অভিযোগে সাইপ্রাসে এস আলমের বাড়ি জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় ৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি জব্দ করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ। ব্যাংক জালিয়াতি, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান আন্তর্জাতিক তদন্তের

রাজস্ব সংকট : টিনধারী ৭২ লাখ ব্যক্তি আয়কর জমা দেন না

দেশের ১ কোটি ২৮ লাখ টিনধারীর মধ্যে ৭২ লাখ ব্যক্তি আয়কর জমা দেন না এবং ৪৬ লাখ রিটার্নও দাখিল করেন না বলে জানিয়েছেন কানাডাভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ড. খান জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কর আদায়ের দুর্বলতা বাংলাদেশের রাজস্ব খাতের অন্যতম বড় সমস্যা।