আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোট শুরু হতে আর কিছু সময় বাকি। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের একই সঙ্গে দুটি ভোট দিতে হবে, একটি সংসদ নির্বাচন এবং অন্যটি গণভোটে। নির্বাচন ঘিরে গুগল ও সামাজিক মাধ্যমে ভোটাররা নানা প্রশ্ন খুঁজছেন। এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তার উত্তর নিচে তুলে ধরা হলো:
ইলেকশন ২০২৬ : কারা অংশ নিচ্ছে? উত্তর: নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৫৯টি দলের মধ্যে ৫১টি দল এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ ৫১ দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র-তরুণদের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি প্রথমবার ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছে। নিবন্ধন স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশসহ কয়েকটি নিবন্ধিত দলও ভোটে নেই।
মোট ভোটার কত? উত্তর: এবার দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে। মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার। পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার এবং হিজড়া ভোটার ১,১২০ জন।
ভোট কখন? উত্তর: বুধবার সকাল ৭:৩০ থেকে বিকাল ৪:৩০ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। সময় আধা ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছে এবং এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।
ভোটকেন্দ্র কীভাবে জানবেন? উত্তর: ইসির ওয়েবসাইটে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে ভোটকেন্দ্র জানা যাবে। ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ অ্যাপেও একইভাবে তথ্য পাওয়া যাবে।
হটলাইন ১০৫ নম্বরে ফোন করে অপারেটরের সাথে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ দিলে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্র জানা যাবে।
ভোটার স্লিপ না পেলে? উত্তর: ভোটার স্লিপ সরকারি নথি নয়। আগে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে দেওয়া হতো। এবার অনেক জায়গায় দেওয়া হয়নি। তাই অনলাইন বা হটলাইনের মাধ্যমে তথ্য নিতে হবে।
মোবাইল ও সেলফি তোলা যাবে? উত্তর: ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেওয়া যাবে। ছবি তোলা যাবে। তবে গোপন কক্ষে মোবাইল নেওয়া বা ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বুথের ভেতরে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।
নিকাব খুলতে হবে? উত্তর: পোলিং কর্মকর্তা ভোটারের মুখ দেখে তালিকার ছবির সঙ্গে মিলিয়ে নেবেন। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন হলে মুখ খোলা লাগতে পারে। জাল ভোট প্রমাণ হলে ছয় মাস পর্যন্ত জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।
যানবাহন চলবে? উত্তর: ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ। ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক ও লঞ্চ বন্ধ থাকবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জরুরি সেবা ও সংবাদপত্র পরিবহনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
শিশু নিয়ে ভোটকক্ষে যাওয়া যাবে? উত্তর: প্রতীক বোঝার মতো বয়স না হলে সন্তানকে সঙ্গে নেওয়া যাবে। কিন্তু প্রতীক বোঝার মতো বয়স হলে সন্তানকে বাইরে রেখে ভোট দিতে হবে।
গণভোটের ব্যালট কোন বাক্সে? উত্তর: সংসদ নির্বাচনের ব্যালট সাদা-কালো, গণভোটের ব্যালট গোলাপি।
দুটি ব্যালট একই স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে, এ বিষয়ে ইসি পরিপত্র জারি করেছে।
ফলাফল কখন জানা যাবে? ভোট শেষে গণনা শুরু হবে। কেন্দ্র থেকে উপজেলা, জেলা হয়ে ইসিতে ফল পৌঁছাবে।
মধ্যরাত নাগাদ আংশিক ফল জানা যেতে পারে। পূর্ণ অনানুষ্ঠানিক ফল পেতে শুক্রবার দুপুর বা বিকাল হতে পারে।
চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ হতে শনিবার বা রোববার পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
শপথ কবে? উত্তর: ভোটের তিন দিনের মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ হতে পারে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শপথের সম্ভাবনা রয়েছে।
শপথ পড়াবেন কে? উত্তর: স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি মনোনীত প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াতে পারেন বলে আইন উপদেষ্টা জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করতে ওয়েবসাইট, অ্যাপ, এসএমএস ও হটলাইন চালু রয়েছে। ভোটারদের যথাসময়ে কেন্দ্রে গিয়ে নিয়ম মেনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। (সূত্র : বিবিসি)
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন