আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ৮ জানুয়ারী ২০২৬: জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাত দিনের জন্য সেনাবাহিনীসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে। আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে এলাকা ও ঝুঁকি বিবেচনায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে পুলিশ ও আনসারের সদস্য মোতায়েন থাকবে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ ও বিমান) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিপত্র জারি করে, যা বুধবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বহাল থাকবে। এরপর ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাহিনীগুলো সক্রিয়ভাবে মাঠে নামবে। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন মোতায়েন থাকবে। দুর্গম হিসেবে ঘোষিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে ১৬-১৮ জন করে সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এসব বাহিনী ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা, উপজেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থান করবেন। তারা টহল ও প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করবেন এবং তাদের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যুক্ত থাকবেন। ইসি কর্মকর্তারা জানান, আরপিও সংশোধনীতে সশস্ত্র বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে যুক্ত করা হলেও, এ নির্বাচনে আগের মতোই ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের বিধান অনুযায়ী মোতায়েন করা হয়েছে।
নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোট আয়োজন এবং আচরণবিধি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি সমন্বয় সেল গঠন করা হবে, যেখানে সব বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। এ সেল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার এবং গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করবে। পরিপত্রে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৈধ অস্ত্র বহন ও প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে। তবে নীতিমালা অনুযায়ী রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ-সদস্য প্রার্থীরা অস্ত্র বহন করতে পারবেন। এছাড়া ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ক্যাম্প স্থাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন