আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোটে দেশবাসীকে উৎসবমুখর পরিবেশে দ্বিধাহীন চিত্তে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, আপনারা দলে দলে, সপরিবারে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে দ্বিধাহীন চিত্তে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। মূল্যবান ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে দিন। দেশের চাবি আপনাদের হাতে, সঠিকভাবে ব্যবহার করুন। আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করে।
প্রধান উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবারের ভোটের দিনই হবে নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। তিনি সবাইকে উৎসবমুখর নির্বাচনের মাধ্যমে দিনটিকে ইতিহাসে স্মরণীয় করে তোলার আহ্বান জানান।
তরুণ ও নারী ভোটারদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ভয়কে পেছনে রেখে সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান। একটি ভোট শুধু সরকার নির্বাচন করবে না; এটি ১৭ বছরের নীরবতা ও বাধাহীন ফ্যাসিবাদের জবাব দেবে, জাতিকে নতুনভাবে গড়ে তুলবে এবং প্রমাণ করবে, তরুণ, নারী ও সংগ্রামী জনতার কণ্ঠ আর দমিয়ে রাখা যাবে না।
তিনি বলেন, তরুণদের স্বপ্ন, মেধা ও শক্তিই আগামী বাংলাদেশের ভিত্তি। তাদের উদ্দেশে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছর ভোটাধিকার থাকা সত্ত্বেও অনেকেই ভোট দিতে পারেননি। তারা এমন বাস্তবতায় বড় হয়েছেন, যেখানে ভোটের আয়োজন ছিল, কিন্তু কার্যকর ভোট ছিল না। এই দীর্ঘ বঞ্চনার মূল্য জাতিকে দিতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তরুণরা আশা হারাননি; আন্দোলন, প্রতিবাদ ও স্বপ্নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা ধরে রেখেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইতিহাস বদলের সুযোগ এসেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নারীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সব গণআন্দোলন, পরিবার থেকে রাষ্ট্র, সব ক্ষেত্রেই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তারা সম্মুখসারিতে ছিলেন। দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে নারীরা বড় অবদান রাখছেন।
তিনি বলেন, ক্ষুদ্রঋণ, কুটির শিল্প ও নারী উদ্যোক্তাদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে পরিবর্তনের গল্প। ঘর ও রাজপথে সমানভাবে সংগ্রাম করেও দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে মত প্রকাশের সুযোগ থেকে নারীরা বঞ্চিত ছিলেন। এই নির্বাচন তাদের জন্য নতুন সূচনা বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন