অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শঙ্কা : যেভাবে বদলে যেতে পারে ফলাফল

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১০ জানুয়ারী ২০২৬: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এমন কারচুপি হলে দেশ গভীর সংকটে পড়তে পারে। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে প্রধান দুই দলের জনসমর্থন প্রায় কাছাকাছি। ফলে সামান্য ইঞ্জিনিয়ারিংও আসন বণ্টনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

বেশিরভাগ আসনে ভোটের ব্যবধান থাকে মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশ। এই অবস্থায় ফলাফল ২০১৪ বা ২০১৮ সালের নির্বাচনের মতো হলে তা দেশে ও বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না। এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন শক্তি নির্বাচনকে বিতর্কিত বা অগ্রহণযোগ্য করে নিষিদ্ধ দলটির রাজনীতিতে ফেরার পথ তৈরি করতে চেষ্টা করতে পারে। এ কারণে সম্ভাব্য সুবিধাভোগী দলসহ সবারই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কৌশল সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং তা প্রতিহত করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০০৬ সালের নির্বাচনে বিচারপতিদের অবসর বয়স বাড়িয়ে যে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছিল, তা দেশকে বড় সংকটে ফেলেছিল। এবারও তেমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সম্ভাব্য ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কৌশলগুলো হলো,

নির্বাচনের এক বা দুই দিন আগে অপছন্দের দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা বা গ্রেপ্তারের আতঙ্ক ছড়ানো একটি বহুল ব্যবহৃত কৌশল। এতে নেতা-কর্মীরা আত্মগোপনে চলে যান, নির্বাচনি কার্যক্রম ভেঙে পড়ে, কেন্দ্রগুলোতে এজেন্ট দেওয়া সম্ভব হয় না এবং অনেক ভোটার ভোট দিতে যান না। এই প্রক্রিয়া এত দ্রুত ও সমন্বিতভাবে ঘটে যে প্রমাণ পাওয়া কঠিন হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই কৌশলের ব্যাপক ব্যবহার হয়েছিল।

নির্বাচনের দিন কেন্দ্র দখল, নির্দিষ্ট দলের সমর্থক ও সংখ্যালঘু ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়া এবং এজেন্ট বের করে দেওয়ার মাধ্যমেও ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়। সাধারণত অল্প কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনে, যেখানে অল্প ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হতে পারে, সেখানে এসব পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।

ভোট গণনার সময় পোলিং এজেন্টদের সরিয়ে দিয়ে ফলাফল পরিবর্তন করাও একটি প্রচলিত কৌশল। এ ক্ষেত্রে গুজব ছড়ানো বা কখনো বল প্রয়োগের মাধ্যমে আতঙ্ক তৈরি করা হয়।

ভোটকেন্দ্রের ফলাফল রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানোর সময় পরিবর্তন করার আশঙ্কাও থাকে। প্রতিটি আসনে গড়ে প্রায় ১৫০টি কেন্দ্র থাকে। গভীর রাতে ফল পাঠানো হয় এবং এজেন্টরা তখন ক্লান্ত ও অসংগঠিত থাকেন। এই সুযোগে কিছু কেন্দ্রের ফল পাল্টে দিলে অনেক সময় তা ধরা পড়ে না। অল্প ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয়ের সম্ভাবনা থাকলে রিটার্নিং অফিসার যোগফলে পরিবর্তন করে পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করতে পারেন।

এ ছাড়া রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে টেলিফোনে ফল সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা যোগসাজশে ফল পরিবর্তন করতে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সবচেয়ে শক্তিশালী ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু হয় নির্বাচনের এক মাস আগ থেকেই। প্রশাসনের আচরণ, গণমাধ্যমের ভূমিকা ও আন্তর্জাতিক মহলের তৎপরতার মাধ্যমে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষ মনে করে, একটি নির্দিষ্ট দলই জিতবে। এতে ব্যবসায়ী, প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠী ওই দলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ায় এবং দোদুল্যমান ভোটারদের বড় অংশ সেদিকেই ঝুঁকে পড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্রই প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের প্রশাসন দীর্ঘ ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও প্রশাসনিক সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এই বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কতটা ব্যাপক হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারনামা : নিষিদ্ধ দলের সংশ্লিষ্টরা বাইরে

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন

নবম পে স্কেলের শুরুতেই মূল বেতন কার্যকরের দাবি সরকারি কর্মচারীদের

দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব

১ জুলাই থেকে কার্যকর নবম পে স্কেল : কম বেতনভোগীদের বাড়তি সুবিধা

দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তনের আভাস : আরপিও পুনর্লিখন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন