আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ১১ ডিসেম্বর ২০২৫: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তাদের পদত্যাগপত্র প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলেও তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় পদত্যাগপত্র দুটি অনুমোদন হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করবে।
এদিকে খালি হওয়া তিন মন্ত্রণালয়ে নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের সম্ভাবনা এখন খুবই কম। তফসিল ঘোষণার পর নতুন নিয়োগ হলে সমালোচনার ঝুঁকি থাকায় বিদায়ী উপদেষ্টাদের মধ্যেই দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। কয়েকজন উপদেষ্টার নাম ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে।
বুধবার বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দুই উপদেষ্টা পদত্যাগপত্র জমা দিলে প্রধান উপদেষ্টা তা গ্রহণ করেন। নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই পদত্যাগ কার্যকর হবে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক ব্রিফিংয়ে জানান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ। মাহফুজ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এবং আসিফ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়সহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, দুই ছাত্রনেতার পদত্যাগ গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেছেন। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে তাদের নেতৃত্ব জাতিকে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথে এগিয়ে দিয়েছিল, যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সেই সরকারে গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের মধ্যে তিনজন উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত হন, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম। দু’জনের পদত্যাগে উপদেষ্টাদের সংখ্যা এখন ২০-এ দাঁড়িয়েছে।
একইদিন সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ জানান, তিনি নির্বাচন করবেন, তবে কোন দল থেকে করবেন তা এখনও ঠিক করেননি। তিনি সম্পদের বিবরণী জমা দিয়েছেন এবং কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করেছেন বলেও জানান। ঢাকা-১০ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আলোচনা থাকলেও তিনি স্বতন্ত্র নাকি দলীয় প্রার্থী হবেন- এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
তথ্য ও সম্প্রচার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনে নতুন আলোচনা চলছে। সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন -প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ, সিনিয়র সাংবাদিক মনির হায়দার, উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এবং উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তবে উপদেষ্টা পরিষদের আজকের বৈঠকে কোন উপদেষ্টা কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন, তা স্পষ্ট হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন