আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক ফল নির্ধারণ হলেও তিনটি আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসনগুলো হলো শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪।
এসব আসনে জয়ী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলমান থাকায় মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফল ঘোষণা করা হবে না বলে জানিয়েছে ইসি। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে তিনটি পৃথক চিঠি জারি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৪ (মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী): ইসির চিঠিতে বলা হয়, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪১/২০২৬ (হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১১৭৪/২০২৬ থেকে উদ্ভূত) মামলার ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখতে আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
চট্টগ্রাম-২ (সরোয়ার আলমগীর): আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪০/২০২৬ (রিট পিটিশন নং ১০৫৩/২০২৬ থেকে উদ্ভূত) মামলার ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের ভিত্তিতে সরোয়ার আলমগীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফলও প্রকাশ করা হবে না।
শেরপুর-২ (মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী): সিপিএলএ নং ৪৪২/২০২৬ (রিট পিটিশন নং ১১৮৬/২০২৬ থেকে উদ্ভূত) মামলার ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। তবে মামলার চূড়ান্ত আদেশের ওপরই তার নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভর করবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন