আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩ জানুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনে দাখিল করা ২৩৮টি মনোনয়নপত্র আজ শনিবার ৩ জানুয়ারি ২০২৬ যাচাই-বাছাই করা হবে। রাজধানীর দুটি পৃথক স্থানে এ বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা মহানগরীর ১৩টি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই হবে সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। অপরদিকে, বাকি আসনগুলোর মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম চলবে আগারগাঁওয়ের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) এর সম্মেলন কক্ষে।
বাছাইয়ের সময় প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা যাচাই করা হবে এবং হলফনামায় দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে রিটার্নিং অফিসাররা মনোনয়নপত্র বৈধ অথবা বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন। যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হবে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী জানান, শনিবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। তিনি বলেন, সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা এরই মধ্যে প্রার্থীদের হলফনামাসহ সব তথ্য চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত রেখেছেন।
ঢাকার বিভিন্ন আসনে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা হলো, ঢাকা-১ আসনে ৮টি, ঢাকা-২ এ ৩টি, ঢাকা-৩ এ ১৬টি, ঢাকা-৪ এ ৮টি, ঢাকা-৫ এ ১৬টি, ঢাকা-৬ এ ৭টি, ঢাকা-৭ এ ১৫টি, ঢাকা-৮ এ ১২টি, ঢাকা-৯ এ ১৪টি, ঢাকা-১০ এ ১৩টি, ঢাকা-১১ এ ১১টি, ঢাকা-১২ এ ১৮টি, ঢাকা-১৩ এ ১১টি, ঢাকা-১৪ এ ১৩টি, ঢাকা-১৫ এ ৯টি, ঢাকা-১৬ এ ১৩টি, ঢাকা-১৭ এ ১৭টি, ঢাকা-১৮ এ ১৭টি, ঢাকা-১৯ এ ১১টি এবং ঢাকা-২০ আসনে ৭টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সারা দেশে আগামী ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হবে। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে এবং চলবে ভোট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এদিকে, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন (প্রস্তাবক, সমর্থক ও আইনজীবীসহ) উপস্থিত থাকতে পারবেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ঋণখেলাপি হওয়া, আয়কর সংক্রান্ত জটিলতা, হলফনামায় ভুল তথ্য দেওয়া বা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনে অসংগতি থাকলে মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে। তবে সাবেক সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন