অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

ডলার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ৪.১৫ বিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: দেশে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি বাড়ায় ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত তৈরি হয়েছে। এতে ডলারের দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় মুদ্রাবাজারে ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৬টি ব্যাংক থেকে ২১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট উভয়ই ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। সবমিলিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ৪১৫ কোটি মার্কিন ডলার বা ৪.১৫ বিলিয়ন ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০২২ সালে ডলার বাজার অস্থিতিশীল হয়ে প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকায় ওঠে। সে সময় আওয়ামী লীগ সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও বাজার নিয়ন্ত্রণে আসেনি এবং রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি শুরু করতে হয়। গত তিন অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭.৬ বিলিয়ন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১৩.৫ বিলিয়ন এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২.৭৯ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে একই সময়ে ব্যাংকগুলো থেকে কেনা হয়েছে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার।

তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অর্থপাচার বন্ধে বর্তমান সরকারের কঠোর পদক্ষেপে রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বেড়েছে। ফলে ডলারের সরবরাহ বাড়লেও চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় দাম কমার ঝুঁকি তৈরি হয়। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজ উদ্যোগে বাজার থেকে ডলার কিনছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ডলারের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই ডলার কিনে বাজারে ভারসাম্য রাখা হচ্ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে ৩১৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫.১০ শতাংশ বেশি। রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও ডলার ক্রয়ের ফলে ২৯ জানুয়ারি শেষে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩.১৮ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ রয়েছে ২৮.৬৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল ২০২১ সালের আগস্টে। পরে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় রিজার্ভ নেমে আসে ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

জুন থেকে বাড়ছে বিদ্যুতের খুচরা দাম : গড়ে বাড়তে পারে ২০ শতাংশ

ঈদুল আজহার পর দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য বাড়তি ব্যয়ের চাপ আসছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) শিগগিরই বিদ্যুতের নতুন খুচরা মূল্য ঘোষণা করতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে এবং নতুন ট্যারিফ জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে। তবে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ২৩ লাখ ডলারের নতুন সহায়তা ফিনল্যান্ডের

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য নতুন করে ২০ লাখ ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ২৩ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা ঘোষণা করেছে ফিনল্যান্ড। বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই অনুদানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রবিবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা এ তথ্য জানায়। সংস্থাটির মতে,

৮০০ কোটি ইউরো পাচার অভিযোগে সাইপ্রাসে এস আলমের বাড়ি জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় ৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি জব্দ করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ। ব্যাংক জালিয়াতি, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান আন্তর্জাতিক তদন্তের

রাজস্ব সংকট : টিনধারী ৭২ লাখ ব্যক্তি আয়কর জমা দেন না

দেশের ১ কোটি ২৮ লাখ টিনধারীর মধ্যে ৭২ লাখ ব্যক্তি আয়কর জমা দেন না এবং ৪৬ লাখ রিটার্নও দাখিল করেন না বলে জানিয়েছেন কানাডাভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ড. খান জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কর আদায়ের দুর্বলতা বাংলাদেশের রাজস্ব খাতের অন্যতম বড় সমস্যা।