আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকে জুলাই অভ্যুত্থান নস্যাৎ করার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তারা বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার যেকোনো চেষ্টা প্রতিহত করতে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকবে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেতারা।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলাটি পূর্ব-পরিকল্পিত এবং গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। এর পেছনে বড় শক্তি কাজ করছে। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচন বানচাল করা। এই হামলা ছিল প্রতীকী, যার মাধ্যমে তারা নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে চেয়েছে এবং নির্বাচনের সব আয়োজন ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এসব মোকাবিলা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছে এবং প্রশিক্ষিত শুটার ব্যবহার করছে। বৈঠকে ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে সর্বদলীয় প্রতিবাদ সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্যে যেন ফাটল না ধরে, সে জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেন বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতারা। তারা জানান, এ বিষয়ে দলগুলো কঠোর ও সুদৃঢ় অবস্থান নেবে। এছাড়া, নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কঠোর অভিযান চালানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই পরস্পরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করা যাবে না। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে আওয়াজ তুলতে হবে এবং কোনো অপশক্তিকে বরদাস্ত করা হবে না। রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকলেও জাতির স্বার্থ ও জুলাইয়ের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার পরামর্শ দেন।
জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একে অন্যকে দোষারোপ করার প্রবণতা বেড়েছে, যার সুযোগ বিরোধীরা নিচ্ছে। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থে নিজেদের প্রতিপক্ষ বানানো ঠিক নয় এবং জাতিকে বিভক্ত করে এমন বক্তব্য পরিহার করতে হবে। সব দলকে তাদের অঙ্গীকার ঠিক রাখার আহ্বান জানান তিনি।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই একটি গোষ্ঠী এই অভ্যুত্থানকে খাটো করার জন্য সংগঠিতভাবে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, মিডিয়া ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জুলাইবিরোধী ক্যাম্পেইন চলছে। নির্বাচনের পর যারা ক্ষমতায় আসবে, তারাও এর ভুক্তভোগী হবে এবং কেউ একা সরকার চালাতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি বয়ান তৈরি করা হচ্ছে, যাতে মনে হয় জুলাই অভ্যুত্থানকারীরা অপরাধ করেছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে স্বাভাবিক করার নানা চেষ্টা চলছে। তারা টিভি টকশোতে অংশ নিচ্ছে, প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় বৈঠক করছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলিত হচ্ছে এবং আদালত প্রাঙ্গণে স্লোগান দিচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানকে সবাইকে একসঙ্গে ধারণ করতে হবে। নিজেদের অনৈক্যের কারণেই ষড়যন্ত্রকারীরা শক্তি পাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, তারা ভারতে বসে নানা কার্যক্রম চালাচ্ছে, আর আমাদের অনৈক্যের কারণে তা প্রতিহত করা যাচ্ছে না। বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক কর্মীর ছদ্মবেশে যারা আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এনসিপির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নিজেদের মধ্যে ঐক্য না থাকলে কোনো ধরনের নিরাপত্তাই কাজে আসবে না। রাজনৈতিক স্বার্থে কিছু দল আওয়ামী লীগকে সুযোগ করে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে ভাবতে হবে এবং শুধু সরকার নয়, সবাইকে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে হবে। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বক্তব্য থাকবে, কিন্তু কাউকে শত্রু মনে করা বা আক্রমণ করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনকালে উত্তেজনা তৈরি হলেও তা যেন নিয়ন্ত্রিত থাকে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা বলেন তিনি।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে হানাহানি শুরু হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হয়েছে। তিনি দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু দলীয় স্বার্থ নয়, জাতীয় স্বার্থের বিষয়েও সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন