আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ জানুয়ারী ২০২৬: বিশ্বব্যাপী সামরিক পরিস্থিতি ক্রমেই অনিশ্চিত ও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠায় বাংলাদেশের মতো মাঝারি ক্ষমতার দেশকে অ্যাসিমেট্রিক প্রতিরক্ষা কৌশল গ্রহণ করতে হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ভারতের আগ্রাসী মনোভাব মোকাবেলায় চীনের সহায়তায় সামরিক ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ।
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে সামরিক ড্রোন ও স্বল্প ব্যয়ের কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করে তুলনামূলকভাবে দুর্বল দেশও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের ওপর কার্যকর প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশের জন্য এসব ড্রোন একটি প্রতিরোধক শক্তি হিসেবে কাজ করবে, যাতে কোনো পক্ষ আঞ্চলিক আগ্রাসনে উৎসাহ না পায়। এই প্রকল্পের আওতায় দেশীয় পর্যায়ে ড্রোন উৎপাদন এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি আয়ত্ত করার চেষ্টা করা হবে। এতে একদিকে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়বে, অন্যদিকে বিদেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের সামরিক আঞ্চলিক আগ্রাসী নীতির প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, চীনা প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা রাজনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে স্থানীয় প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলায় বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্বনির্ভর ও টেকসই হয়। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই ড্রোন প্রকল্প বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়। এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ভারতের সম্ভাব্য আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন