আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩০ জানুয়ারী ২০২৬: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণায় অংশ নিতে নিষেধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এই নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে কিছু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন—এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন জানায়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে যেকোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা দণ্ডনীয় অপরাধ।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। নির্দেশনায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গণভোট সংক্রান্ত কোনো প্রচারণায় অংশ না নেওয়ার কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। ইসির নির্দেশনা বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শুক্রবার গণমাধ্যমকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং বিষয়টি সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি ইতোমধ্যে অনেকে জেনেছেন, এখন তা অফিসিয়ালি জানানো হবে।
এদিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক জানান, আগে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বিধিনিষেধ না থাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় যুক্ত ছিলেন। তবে এখন নির্বাচন কমিশন বিধিনিষেধ আরোপ করায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো পক্ষেই প্রচারণায় অংশ নেবেন না।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন