আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৪ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার: ইরানের ওপর ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ওই ফোনালাপে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার সুযোগ তুলে ধরার পরই ট্রাম্প সামরিক অভিযানে রাজি হন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
গোয়েন্দা ব্রিফিং সূত্রে জানা যায়, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু উভয়েই অবগত ছিলেন যে খামেনি ও তার ঘনিষ্ঠরা তেহরানে একটি বৈঠকে অংশ নেবেন। এতে তাদের ওপর ‘ডিক্যাপিটেশন স্ট্রাইক’ বা শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলার সুযোগ তৈরি হয়, যে ধরনের হামলা ইসরাইল প্রায়ই চালালেও যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত এড়িয়ে চলে।
ফোনালাপ সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলো জানায়, বৈঠকের সময়সূচি পরিবর্তন হয়ে শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে হওয়ায় হামলার সুযোগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ তথ্য আগে কখনও প্রকাশ পায়নি।
নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অভিযানের পক্ষে ছিলেন এবং তিনি ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে খামেনিকে হত্যা করা এবং ট্রাম্পকে হত্যার পূর্ব প্রচেষ্টার প্রতিশোধ নেওয়ার এটাই সেরা সময়। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী থাকাকালে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে ইরানের পরিকল্পিত হামলার ষড়যন্ত্রের কথাও এতে উল্লেখ করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এক পাকিস্তানি নাগরিকের বিরুদ্ধে ভাড়াটে খুনি নিয়োগের অভিযোগ এনেছে, যা আইআরজিসির কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে পরিকল্পিত ছিল বলে ধারণা করা হয়। সূত্রগুলো জানায়, ফোনালাপের সময় ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র কখন সরাসরি যুক্ত হবে সে বিষয়ে তখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এদিকে, হামলার আগেই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছিল, যা প্রশাসনের ভেতরে সম্ভাব্য অভিযানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছিল। আবহাওয়ার কারণে পূর্ব নির্ধারিত একটি সম্ভাব্য তারিখও পিছিয়ে যায়। সূত্রগুলোর মতে, ২৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সামরিক বাহিনীকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এই ফোনালাপ এবং গোয়েন্দা তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বলেন, এই অভিযান সফল হলে ইতিহাস সৃষ্টি হবে এবং ইরানের দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থার পতনও ঘটতে পারে। তার মতে, এতে ইরানের জনগণ বিদ্রোহে নামতে পারে এবং ১৯৭৯ সাল থেকে চলা ধর্মতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটাতে পারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রথম বোমা হামলা শুরু হয় এবং ওইদিন সন্ধ্যায় ট্রাম্প ঘোষণা করেন, খামেনি নিহত হয়েছেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি ফোনালাপ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও জানান, হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস, নৌবাহিনী দুর্বল করা, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা।
নেতানিয়াহু এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে কেউ যুদ্ধে টেনে নেয়নি এবং ট্রাম্প নিজ সিদ্ধান্তেই পদক্ষেপ নিয়েছেন। ট্রাম্পও প্রকাশ্যে বলেছেন, হামলার সিদ্ধান্ত একান্তই তার নিজের ছিল।
তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, নেতানিয়াহু সরাসরি চাপ প্রয়োগ না করলেও তার যুক্তিগুলো ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছিল। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ জানান, এই হামলার একটি উদ্দেশ্য ছিল প্রতিশোধ। তিনি বলেন, ইরান ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, আর শেষ পর্যন্ত জবাব দিয়েছে ট্রাম্পই। (জেরুসালেম পোস্ট)
সংস্কার/ইএমই
শিশু ও কিশোরদের অনলাইনে ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে সুরক্ষা দিতে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। এখন থেকে ১৬ বছরের কম বয়সীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না। সোমবার ১ জুন ২০২৬ থেকে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া কমিশন
উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়তি উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এ ঘটনায় চার মার্কিন সেনা ও তিনজন বেসামরিক ঠিকাদারসহ মোট সাতজন আহত হয়েছেন। ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হামলার দায় স্বীকার করে জানায়, দক্ষিণ ইরানের বন্দর আব্বাস
হজ পালন শেষে দেশে ফেরা হাজিদের জন্য বিশেষ উপহার ঘোষণা করেছেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ। তার পক্ষ থেকে ৮০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত পবিত্র কুরআনের মোট ১৯ লাখ কপি বিতরণ করা হচ্ছে। সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিজ দেশে ফিরে যাওয়া হাজি এবং হজে দায়িত্ব পালনকারী
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালীন এবং যুদ্ধবিরতির সময়েও ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে আবুধাবি