আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৭ জানুয়ারী ২০২৬: কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী আর রইল না। শনিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ একে অপরের বিরুদ্ধে দাখিল করা দুটি আপিল আবেদনের শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত দেয় নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুনানি শেষে বিকেলে আদেশ ঘোষণা করা হয়।
ইসি হাসনাত আবদুল্লাহর করা আপিল মঞ্জুর করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে। অন্যদিকে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ করে হাসনাতের মনোনয়নপত্র বহাল রাখে কমিশন। আপিলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী অভিযোগ করেন, হাসনাত আবদুল্লাহ মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় তার আয়ের উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করেন নি। অপরদিকে হাসনাত তার আপিলে অভিযোগ করেন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। তাকে ঋণখেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তে হাইকোর্ট যে তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, তা স্থগিত রেখে এ সংক্রান্ত রুল দুই সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এই অবস্থায় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এর আগে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের করা পৃথক লিভ টু আপিলের শুনানি নিয়ে ৮ জানুয়ারি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আট সপ্তাহের জন্য হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। পরে এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য মঞ্জুরুল আহসান আবেদন করেন, যা গত বুধবার শুনানির জন্য ওঠে। শুনানিতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান ও আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন। আইডিএলসি ফাইন্যান্সের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী বিভূতি তরফদার শুনানিতে অংশ নেন।
পরে আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন জানান, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স থেকে মাম পাওয়ার লিমিটেড ঋণ নেয়, যার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুরুল আহসান। প্রিমিয়ার ব্যাংককে উল্লেখযোগ্য অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে এবং ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়েছে। আইডিএলসির সঙ্গেও সেটেলমেন্ট হয়েছে এবং ডাউন পেমেন্ট দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, এই মামলার সঙ্গে মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়নের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
আইডিএলসি ফাইন্যান্সের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, চেম্বার আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার না করে তা বহাল রেখেছেন এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন। আইডিএলসির ঋণ এখনো পুনঃতফসিল না হওয়ায় সিআইবি প্রতিবেদনে মঞ্জুরুল আহসানের নাম থেকে যাবে, ফলে তার নির্বাচনে অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে। প্রিমিয়ার ব্যাংকের আইনজীবী বিভূতি তরফদার জানান, ১৩ জানুয়ারি দেড় কোটি টাকা জমা দিয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন মঞ্জুরুল আহসান। সে হিসেবে তিনি বর্তমানে ওই ব্যাংকের ঋণখেলাপি নন।
আইনজীবীদের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, মাম পাওয়ার লিমিটেডের ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে ঋণখেলাপি হিসেবে নাম প্রকাশ ও সিআইবিতে পাঠানো ঠেকাতে মঞ্জুরুল আহসান ও তার কোম্পানি ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করেন। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ হওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তিন মাসের জন্য তার নাম ঋণখেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার নির্দেশ দেন, যা পরে চেম্বার আদালত স্থগিত করেন।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন