আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১১ জানুয়ারী ২০২৬: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস এমক্যাশ রিব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নতুন রূপে যাত্রা শুরু করেছে। রোববার ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দেশের প্রথম ইসলামিক মোবাইল ব্যাংকিং সেবা এমক্যাশের রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আরিফ হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খান। এছাড়া ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিলসহ বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর বলেন, ইসলামী ব্যাংকের একটি শক্তিশালী গ্রাহকভিত্তি রয়েছে, যেখানে ৩ কোটির বেশি গ্রাহক যুক্ত। ব্যাংকের ৪০০টি শাখা, ২৭১টি উপশাখা এবং প্রায় ২ হাজার ৮০০ এজেন্ট আউটলেটের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এমক্যাশকে এগিয়ে নিতে হবে। রেমিট্যান্স প্রবাহেও এমক্যাশকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। ক্যাশলেস সমাজ গঠনে এমক্যাশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন গভর্নর।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এমক্যাশকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, গ্রাহকদের আস্থা অর্জন, প্রণোদনা ও ক্যাশব্যাক কার্যক্রম জরুরি। রিটেইল ও এসএমই খাতে কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে হবে। ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটের পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেনে সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে। এতে দুর্নীতি কমবে, প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব বাড়বে এবং অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা আসবে। তিনি বলেন, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের বাজার যেন এককেন্দ্রিক না হয়ে আরও বিস্তৃত হয়, এটাই প্রত্যাশা। শেষে এমক্যাশের পুনর্যাত্রার সাফল্য কামনা করেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ৩ কোটি গ্রাহক নিয়ে এমক্যাশ ভবিষ্যতে সবার চেয়ে এগিয়ে যাবে। তিনি এমক্যাশ লেনদেনে সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং রিব্র্যান্ডিং অনুষ্ঠানে গভর্নরের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রযুক্তি ও আধুনিক ব্যাংকিংয়ের সমন্বয়ে এমক্যাশ নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ লেনদেন নিশ্চিত করছে। এমক্যাশ থেকে এমক্যাশে সেন্ড মানিতে কোনো ফি নেই। ক্যাশ আউট চার্জ প্রতি হাজারে ১৩ টাকা ৯০ পয়সা। ইসলামী ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও এটিএম থেকে উত্তোলনে ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে ৭ টাকা। বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স সরাসরি এমক্যাশে পাওয়া যায়, যেখানে ক্যাশ আউট চার্জও হাজারে ৭ টাকা। যেকোনো ভিসা বা মাস্টারকার্ড থেকে অ্যাড মানি করা যায় হাজারে ৫ টাকা খরচে।
এমক্যাশের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি বিল পরিশোধ, মেট্রোরেলের র্যাপিড পাস রিফিল, সমাজসেবা অধিদপ্তরের বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন ভাতা গ্রহণ করা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বেতন এমক্যাশে দিচ্ছে। গ্রাহকরা সারাদেশে এমক্যাশ এজেন্ট পয়েন্ট, ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ব্যাংকের এটিএম ও সিআরএম বুথ থেকে ২৪ ঘণ্টা টাকা জমা ও উত্তোলন করতে পারছেন।
সংস্কার/ইএমই
ঈদুল আজহার পর দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য বাড়তি ব্যয়ের চাপ আসছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) শিগগিরই বিদ্যুতের নতুন খুচরা মূল্য ঘোষণা করতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে এবং নতুন ট্যারিফ জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে। তবে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের
কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য নতুন করে ২০ লাখ ইউরো, অর্থাৎ প্রায় ২৩ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা ঘোষণা করেছে ফিনল্যান্ড। বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই অনুদানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রবিবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা এ তথ্য জানায়। সংস্থাটির মতে,
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় ৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি জব্দ করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ। ব্যাংক জালিয়াতি, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান আন্তর্জাতিক তদন্তের
দেশের ১ কোটি ২৮ লাখ টিনধারীর মধ্যে ৭২ লাখ ব্যক্তি আয়কর জমা দেন না এবং ৪৬ লাখ রিটার্নও দাখিল করেন না বলে জানিয়েছেন কানাডাভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ড. খান জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কর আদায়ের দুর্বলতা বাংলাদেশের রাজস্ব খাতের অন্যতম বড় সমস্যা।