আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর মাঠ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারা দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ে কর্মরত ১১২ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচন কমিশনের জনবল ব্যবস্থাপনা শাখার সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই বদলির নির্দেশনা জারি করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়সহ দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় কর্মরত ১১২ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী ১ মার্চের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে, ওইদিন অপরাহ্ণে তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরাসরি অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।
ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এটি নির্বাচন কমিশনের নেওয়া সবচেয়ে বড় বদলির উদ্যোগ। সামনে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ বড় পরিসরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই নির্বাচনকে সামনে রেখেই মাঠ পর্যায়ে এই রদবদল করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কমিশন জানিয়েছে, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এ বদলি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন