আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৫ জানুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকা ও কিছু ক্ষেত্রে নমনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সংগঠনটির সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণে অসহিষ্ণুতা ও সহিংস প্রবণতা বাড়ছে, যা নিয়ন্ত্রণে এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬: সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতকরণে অংশীজনের ভূমিকা শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সুজন আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে ড. বদিউল আলম মজুমদার জানান, সম্প্রতি দেশের সাতটি বিভাগ ও বিভিন্ন জেলায় নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরছেন।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, এক ইসি সদস্যের বক্তব্য উদ্ধৃত করে শোনা গেছে, এক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ করে দিয়ে বলা হয়েছে, ব্যাংকের টাকাটা দিয়ে দিয়েন। এতে স্পষ্ট হয়, ওই প্রার্থী ঋণখেলাপি ছিলেন। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসির এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতেও যদি এমন আচরণ চলতে থাকে, তাহলে দেশের গণতন্ত্রের জন্য তা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ না করা হলে এবং অসহিষ্ণুতা ও সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে না আনলে এবারের নির্বাচনও বিতর্কিত হবে। এ জন্য রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নির্বাচন কমিশন ও সরকার, সব পক্ষকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। গণতান্ত্রিক সহাবস্থানের সংস্কৃতি গড়ে না উঠলে জনগণের প্রত্যাশিত সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
সংবাদ সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে অপপ্রচারের ঝুঁকির কথাও তুলে ধরা হয়। বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনের দিন কোনো প্রার্থী মারা গেছেন বা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এমন ভুয়া তথ্য এআইয়ের মাধ্যমে ছড়িয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হতে পারে। এতে নির্বাচন প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালট নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হলে পুরো নির্বাচনী ফলাফল প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এতে বলা হয়, নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, আর এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নিরপেক্ষ না থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত অভিযোগে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে ইসির ছাড় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনেক প্রার্থীর বার্ষিক আয় ও সম্পদের তথ্য নিয়ে জনমনে তথ্য গোপনের ধারণাও তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন তোলা হয়, ইসি কি সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে হলফনামার তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করেছে, নাকি প্রভাবশালী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখিয়েছে? এসব অভিযোগের সামান্য সত্যতাও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়।
দিলীপ কুমার সরকার ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ভোটাধিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব। অর্থ, প্রলোভন বা অন্ধ আবেগের বশবর্তী হয়ে ভোট দেওয়া যাবে না। সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে এবং দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মানবতাবিরোধী, ঋণখেলাপি ও গণবিরোধী কাউকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে যেকোনোভাবে জয়লাভের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতার কারণে এক দল থেকে অন্য দলে যোগ দিয়ে মনোনয়ন নেওয়ার ঘটনা ঘটছে, এতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
নির্বাচনী ব্যয় মনিটরিং কমিটি গঠন এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায়ও উদ্বেগ জানানো হয়। বিশেষ করে অভ্যাসগত ঋণখেলাপিদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে তামাদি ঋণ মনোনয়ন জমার ছয় মাস আগে পরিশোধের বিধান আরপিওতে যুক্ত করা প্রয়োজন ছিল বলে মত দেয় সুজন।
নারী প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রেও দলগুলোর ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে দিলীপ কুমার সরকার বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের অন্তত ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নের কথা থাকলেও বাস্তবে তা মাত্র ৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এতে স্পষ্ট, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের অঙ্গীকার রক্ষা করেনি।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন