আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১২ জানুয়ারী ২০২৬: সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ২৫ জন দণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নাগরিককে সাধারণ ক্ষমা দিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়। ক্ষমা ঘোষণার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয় এবং তারা নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছেন।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ইউএইতে অবস্থানরত এসব প্রবাসী বাংলাদেশিকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে দেশটির আদালত তাদের সাজা দেন।
এই সাধারণ ক্ষমাকে মানবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ইউএই নেতৃত্বের সহানুভূতি, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ইউএইর মধ্যকার গভীর ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন। এর আগেও ইউএই প্রেসিডেন্ট একাধিকবার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাধারণ ক্ষমা দিয়েছেন। বিশেষ করে বিরল ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্তদের মুক্ত করে তিনি মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের এই ক্ষমা প্রদর্শন আবারও তার মানবিকতা ও মহানুভবতার প্রমাণ দিল।
সংস্কার/ইএমই
শিশু ও কিশোরদের অনলাইনে ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে সুরক্ষা দিতে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। এখন থেকে ১৬ বছরের কম বয়সীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না। সোমবার ১ জুন ২০২৬ থেকে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া কমিশন
উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়তি উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এ ঘটনায় চার মার্কিন সেনা ও তিনজন বেসামরিক ঠিকাদারসহ মোট সাতজন আহত হয়েছেন। ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হামলার দায় স্বীকার করে জানায়, দক্ষিণ ইরানের বন্দর আব্বাস
হজ পালন শেষে দেশে ফেরা হাজিদের জন্য বিশেষ উপহার ঘোষণা করেছেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ। তার পক্ষ থেকে ৮০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত পবিত্র কুরআনের মোট ১৯ লাখ কপি বিতরণ করা হচ্ছে। সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিজ দেশে ফিরে যাওয়া হাজি এবং হজে দায়িত্ব পালনকারী
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালীন এবং যুদ্ধবিরতির সময়েও ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে আবুধাবি