আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পর তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ না পড়ালে চতুর্থ দিন থেকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন। তবে শপথ কবে অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। সংসদ সচিবালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো অফিসিয়াল চিঠি পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের বক্তব্য শোনা হয়েছে। তারা কিছু সমস্যার কথা তুলেছেন। তবে তড়িঘড়ি করে ফলাফল প্রকাশের প্রশ্ন নেই। নিয়ম মেনে ফল প্রকাশ করা হয়েছে এবং জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। গেজেট প্রকাশ আরও আগে দেওয়া গেলে ভালো হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা দক্ষতার সঙ্গে ফল প্রস্তুত করেছেন বলে জানান কমিশনার।
তিনি আরও বলেন, ১১ দলীয় জোটের দাবিগুলো বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। আইন অনুযায়ী নির্বাচন-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে হাইকোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ভালো নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যাশা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৃষ্টিকর্তার সহায়তায় তা সম্ভব হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন