আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার: অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। এর মধ্যে ২০টি অধ্যাদেশ চলতি অধিবেশনে অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে না, ফলে সেগুলো কার্যকারিতা হারাতে যাচ্ছে।
বুধবার সংসদ অধিবেশনে বিশেষ কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৩৩টির মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু পাশ করার সুপারিশ করা হয়েছে এবং ১৫টি সংশোধিত আকারে পরে বিল হিসেবে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
চার অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ: চারটি অধ্যাদেশ সরাসরি বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এগুলো হলো, জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান), সুপ্রিমকোর্টের বিচারক নিয়োগ, সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় এবং সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ। তবে এসব অধ্যাদেশের অধীনে নেওয়া কার্যক্রম সংরক্ষণের জন্য আলাদা বিল আনা হবে।
১৬টি অধ্যাদেশ কার্যত বাতিলের পথে: বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ এখনই সংসদে বিল আকারে তোলা হচ্ছে না। ফলে আইন অনুযায়ী এগুলো কার্যকারিতা হারাবে। এসবের মধ্যে রয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, দুদক সংস্কার, রাজস্ব নীতি, আয়কর, কাস্টমস, তথ্য অধিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইন। এর মধ্যে ১১টি বিষয়ে জামায়াত সদস্যরা ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) দিয়েছেন।
বিশেষ করে গণভোট অধ্যাদেশ অনুমোদন না পাওয়ায় ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের ফলাফল আইনি প্রশ্নে পড়তে পারে। ওই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ে ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০টি এবং ‘না’ ভোট পড়ে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১টি। মোট ভোট পড়ে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭টি।
১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে আসবে: কমিটি ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে পরে সংসদে আনার সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, ব্যাংক রেজুলেশন, সন্ত্রাসবিরোধী, পুলিশ কমিশন, শ্রম আইন, মানব পাচার প্রতিরোধ, ভূমি ব্যবহার, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন আইন।
সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশে নির্দিষ্ট সত্তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা হয়েছিল, যা সংশোধিত আকারে পাশের সুপারিশ করা হয়েছে।
৯৮টি অধ্যাদেশ বহাল: ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু পাশের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, গ্রামীণ ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশোধন, সাইবার সুরক্ষা, সরকারি চাকরি সংশোধন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিভিন্ন অধ্যাদেশ।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও প্রতিক্রিয়া: ১৩ সদস্যের বিশেষ কমিটির ১০ জন বিএনপি ও ৩ জন জামায়াতের সদস্য। জামায়াত সদস্যরা ২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে ভিন্নমত দিয়েছেন এবং সুপ্রিমকোর্ট সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ বাতিলের বিরোধিতা করেছেন। তাদের মতে, এসব অধ্যাদেশ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক দূরত্ব বেড়েছে। বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-এনসিপি জোটের মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে। ইতোমধ্যে ১১ দলীয় জোট সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
আইনি প্রেক্ষাপট: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করে। নিয়ম অনুযায়ী সংসদে ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারায়। ৯ এপ্রিলের মধ্যে অনুমোদন না পাওয়ায় ২০টি অধ্যাদেশ বাতিলের মুখে পড়ছে। সংসদে আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সোমবার থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে তুলবেন এবং চার অধিবেশনের মধ্যে তা পাশ করা হবে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন