আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী তাঁদের কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ (সবুজ) পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী তাঁরা কূটনৈতিক পাসপোর্ট নিয়েছিলেন। দায়িত্ব ছাড়ার প্রস্তুতির মধ্যেই এই সুবিধা ত্যাগের উদ্যোগ প্রশাসনিকভাবে নিয়মসঙ্গত হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে এর সময় নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পৃথকভাবে আবেদন করা হলেও সময়ের ব্যবধান কম। অন্তত পাঁচজনের কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা ও সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন তথ্য পাওয়া গেছে।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, সাবেক উপদেষ্টা (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়; যুব ও ক্রীড়া)। কূটনৈতিক পাসপোর্ট নং: ডি০০০১৮১৮৫; আইডি: ৪২০২০০০০১৬৮১৮। অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, উপদেষ্টা (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা)। কূটনৈতিক পাসপোর্ট নং: ডি০০০১৮৪৮৬ (নিজ), ডি০০০১৮৪৮৭ (স্ত্রী)। আদিলুর রহমান, উপদেষ্টা (গৃহায়ণ ও গণপূর্ত)। পাসপোর্ট নং: ডি০০০১৯১৯৪; আইডি: ৪২০২০০০১৭০০২। খোদা বকস চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা; স্বরাষ্ট্র সংশ্লিষ্টতা)। পাসপোর্ট নং: ডি০০০১৭৪১৭; আইডি: ৪০১১০০০৬৯৯২০০। পদত্যাগের পরও এতদিন পাসপোর্ট জমা দেননি। আলী ইমাম মজুমদার, উপদেষ্টা (খাদ্য ও ভূমি)। পাসপোর্ট নং: ডি০০০১৭৩৬২।
কূটনৈতিক পাসপোর্ট পদনির্ভর এবং রাষ্ট্রীয় কাজে বিদেশ সফর ও প্রটোকল সুবিধার জন্য দেওয়া হয়। দায়িত্ব শেষ হলে তা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক, এটি ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দায়িত্ব শেষ মানেই সুবিধা শেষ; আন্তর্জাতিক প্রটোকলও তাই বলে।
সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু সম্পূর্ণ নতুন আবেদন প্রক্রিয়া। জাতীয় পরিচয়পত্র, ঠিকানা, পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য এবং প্রয়োজন হলে পুলিশ ভেরিফিকেশন, সব নিয়মই প্রযোজ্য। এটি কোনো রূপান্তর নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনিকভাবে এটি স্বাভাবিক পদক্ষেপ। তবে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে একযোগে আবেদন করায় এটি প্রতীকী তাৎপর্য পেয়েছে। কেউ একে নিরপেক্ষতার বার্তা বলছেন, আবার কেউ আবেদন-তারিখ ও পদত্যাগ গ্রহণের সময় প্রকাশ না হওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন। স্বচ্ছতা বাড়াতে দায়িত্ব শেষের তারিখ, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার তারিখ ও ইস্যু অগ্রগতির তথ্য প্রকাশের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দায়িত্ব শেষে কূটনৈতিক পাসপোর্ট রেখে দিলে প্রশাসনিক জটিলতা ও প্রটোকল অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকে। তাই দ্রুত জমা দেওয়া জরুরি। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, এটি নতুন আবেদন; নিয়ম লঙ্ঘনের সুযোগ নেই।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আবেদনগুলো প্রক্রিয়াধীন। যাচাই-বাছাই শেষে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু হবে। দায়িত্ব হস্তান্তর সম্পন্ন হলে আরও কয়েকজন আবেদন করতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, পদক্ষেপটি আইন ও প্রটোকলসম্মত হলেও নির্বাচন-পূর্ব সময়সীমায় নেওয়ায় এটি প্রশাসনিক নিয়মের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতীকের আলোচনাও তৈরি করেছে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন