আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
আওয়ামী লীগ নেতা রাশেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ জানুয়ারী ২০২৬: দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন মেরুকরণ স্পষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকার পর রাজনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগকে সাধারণ মানুষের কাছে পুনরায় গ্রহণযোগ্য করে তুলতে একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া চলছে, এমন অভিযোগ উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। নেটিজেনদের দাবি, একসময় আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা কিছু অনলাইন সাংবাদিক ও ইউটিউব টকশো সঞ্চালককে এখন সাইকোলজিক্যাল অপারেশন বা মনস্তাত্ত্বিক কৌশলের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য জনমত বা পাবলিক সেন্টিমেন্ট ধীরে ধীরে পরিবর্তন করা।
সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ তাদের পুরনো ও বিশ্বস্ত অনুসারীদের নতুন ফ্রন্টে সক্রিয় করেছে। এই কৌশলের মাধ্যমে মানুষের মনে এমন ধারণা তৈরি করার চেষ্টা চলছে যে, আওয়ামী লীগের মধ্যেও ভালো মানুষ আছে অথবা দলটি তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বললে জনসমর্থন পাওয়া কঠিন, এ কারণেই কৌশলী পথ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন টকশো ও সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্ন রাখা হচ্ছে, যাতে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা বিনয়ের সঙ্গে নিজেদের ভুল স্বীকার করছেন এবং নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার কথা বলছেন। কখনো কখনো কৌশলের অংশ হিসেবে শেখ হাসিনারও মৃদু সমালোচনা করা হচ্ছে, যা সাধারণ দর্শকের কাছে নিরপেক্ষ বলে মনে হতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, এমন অভিযোগ থাকা এক নারী সাংবাদিক। ডিবিসি নিউজের সাবেক এই উপস্থাপিকা, যিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত, তার ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা রাশেক রহমানকে নিয়মিত আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, প্রশ্নগুলো এমনভাবে সাজানো হয় যাতে রাশেক রহমান আওয়ামী লীগের নির্দিষ্ট বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। আলোচনার এক পর্যায়ে শেখ হাসিনা বা দলের হাইকমান্ডের সমালোচনা করা হলেও, অনেকের মতে এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো উপায়ে আওয়ামী লীগকে আবার রাজনৈতিক পরিসরে ফিরিয়ে আনা হলে দলটি আগের অবস্থানে ফিরে যাবে এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পথ তৈরি হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, গত ১৭ বছর যারা মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল, তাদের পুনর্বাসনের জন্য এখন কিছু সুবিধাবাদী সাংবাদিক কাজ করছেন। এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা।
অনেকে মনে করছেন, ধর্মীয় আবেগ বা মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে একটি গোষ্ঠী আওয়ামী লীগের জন্য নিরাপদ রাজনৈতিক পথ তৈরি করছে। সচেতন মহলের মতে, এই নতুন সাইকোলজিক্যাল অপারেশন প্রতিহত করতে জনগণের সজাগ থাকা প্রয়োজন। তাদের ভাষ্য, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে যারা বিতাড়িত একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করছেন, তাদের চিহ্নিত করাও সময়ের দাবি।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন