সম্পাদকীয়

আজ ১৪ এপ্রিল। বাংলা সনের প্রথম দিন। পহেলা বৈশাখ। পৃথিবীর কোন বাংলা ভাষাভাষি সমাজে কিছু ঘটুক বা না ঘটুক বাংলাদেশে কিন্তু আজ ঘটবে মহাযজ্ঞ। এই দিনের জন্যে চৈত্রের আগমনের সাথে সাথেই শুরু হয় এই মহা আয়োজন। .......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-কুরআন

৩৭. তার কথার প্রসঙ্গে তার সাথি তাকে বললো; তুমি কি তোমার সেই মহান স্রষ্টার প্রতি কুফুরি করলে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, তারপর নোতফা (শুক্রবিন্দু) থেকে, তার পরে মানুষের আকৃতি দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কর.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-হাদীস

হযরত আবু যার রা. হতে বর্ণিত আছে যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির উপর অবশ্য কর্তব্য যে, তার শরীরের প্রত্যেকটি জোড়ের সুস্থতার শোকর স্বরূপ প্রত্যহ সকা.......

বিস্তারিত পড়ুন

রাসূল সা. উওম আদর্শ ও আমাদের অবস্থা

ড. আবদুল মুকিত আযহারী

(মে ২০১৭, ২২৩ সংখ্যার পর)

এ বিষয়েও আলেমগণ চার অবস্থার কথা উল্লেখ করেছেন:

প্রথম: কোন খারাপ কাজ দেখার পর তা প্রতিরোধ করলে তা দমন হয়ে যাবে। যেমন আমি কাউকে দেখলাম যে সে মসজিদে বসে সিগারেট খাচ্ছে। আমি যদি এ অন্যায় কাজ প্রতিরোধ করি এবং তাকে সিগারেট খেতে বারণ করি তবে সে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাবে আর খারাপ কাজটি দমন হবে।

দ্বিতীয়: অবস্থা হল, খারাপ কাজ দমন হবে না তবে দাওয়াত দ্বারা সে খারাপ কাজটির মাত্রা কমে যাবে। যেমন আমার ভাই-বোন কে সিনেমা দেখতে দেখে আমি বারণ করলাম। এর দ্বারা হয়ত খারাপ কাজ পুরোপুরি দমন হবে না তবে এর মাত্রা কমে যাবে। হয়ত তারা সিনেমা দেখার মাত্রা কমিয়ে দিবে অথবা আমার সামনে দেখবে না । যদি দেখে তবে গোপনে গোপনে দেখবে। 

তৃতীয়: হল, ভাল বা খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা উভয়টি সমান সমান। 

চতুর্থ: হল, খারাপ হওয়ার আশংকা বেশী। যেমন কেউ তার বড় বা তার চেয়ে ক্ষমতাধর কাউকে খারাপ কাজ করতে দেখল আর সে জানে যদি তাকে এ মন্দ কাজে বাধা দিতে যায় তবে এর দ্বারা কোন উপকার হবে না বরং সে ক্ষতি করতে পারে। যেমন কোন ইমাম সাহেব তার এলাকার কোন ক্ষমতাধর কাউকে অপরাধ করতে দেখল আর ইমাম সাহেব জানে, যদি সে ক্ষমতাধর ব্যক্তিটিকে বাধা দিতে যায় তবে সে তার বিরুদ্ধে লাগবে এবং তার ক্ষতি করবে। অথবা খতীব সাহেব কোন অপরাধ দেখল আর সে জানে যে যদি সে এ অন্যায় নিয়ে কথা বলে তবে তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিবে এবং সে আর কোন রকম দাওয়াতের কাজই করতে পারবে না। এমন অবস্থা যদি হয় যে, দাওয়াত দেয়ার দ্বারা উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশী হবে তবে সে অবস্থায় দাওয়াত দেয়া যাবে না। রাসূল সা. বলেন, তোমার জাতি যদি নব মুসলিম না হত তবে আমি কা’বা ভেঙ্গে ফেলতাম ও এর জন্য দু’টি দরজা বানাতাম । রাসূল সা. একটি ভাল কাজ করতে ইচ্ছা পোষণ করেন তবে রাসূল সা. সে ভাল কাজ ত্যাগ করেন। কারণ রাসূল সা. আশংকা করেছেন যে, মুসলমানগণ নও মুসলিম হওয়ার কারণে এ ভাল কাজকে ভাল মনে করবে না। বরং মিথ্যা আবেগের বশবর্তী হয়ে রাসূল সা. এর ভাল কাজকে খারাপ কাজ মনে করতে পারে এবং কেউ বাধাও দিতে পারে। সে আশংকার কারণেই রাসূল সা. এ ভাল কাজ করা থেকে বিরত থাকেন। অতএব কোন ভাল কাজের দাওয়াত দিতে গেলে কোন ক্ষতির আশংকা করে তবে সে কাজের দাওয়াত থেকে বিরত থাকবেন। মুসা আ. যখন আল্লাহ তায়ালার কাছে তাওরাত কিতাব আনতে তুর পাহাড়ে যান তখন হারূন আ. কে বনি ইসরাইলের জন্য স্থলাভিসিক্ত করে যান। হযরত মুসা আ. এর অনুপস্থিতিতে তার জাতি তাদের মধ্যের এক পাপী সামেরীর নেতৃত্বে মূর্তি পূজায় লিপ্ত হয়ে যায়। বিভ্রান্ত্রে বনী ইসরাইলের অধিকাংশ লোক সামেরীর দলে চলে যায় এবং হযরত হারূন আ. এর দলের সংখ্যা কম ছিল। হযরত হারূন আ. যদি বনী ইসরাইলকে সে খারাপ কাজে বাধা দিতেন তবে তিনি তাদেরকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে পারতেন না বরং তার জাতির মধ্যে বিভক্তি দেখা দেয়ার আশংকা ছিল। আর বিভক্তি তৈরি করা একটি বড় পাপ। হযরত মূসা আ. ফিরে আসার পর হযরত হারূন আ. কে জিজ্ঞাসা করেন তিনি কেন বনি ইসরাইলকে তাদের মূর্তি পূজা থেকে নিষেধ করেন নি। তখন হযরত হারূন আ. বলেছিলেন, আমি আশংকা করছিলাম যে, আপনি আমাকে বলবেন যে, কেন তুমি বনি ইসরাইলের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করলে? অর্থাৎ বনী ইসরাইলকে মূর্তি পূজা থেকে বাধা দেয়া আমার দায়িত্ত্ব ছিল। কিন্তু সে দাওয়াতের দায়িত্ব পালন করতে গেলে এর চেয়ে বড় ক্ষতি বনী ইসিরাইল জামাতের মধ্যে বিভক্তি তৈরি আশংকা ছিল বলে আমি সেই দাওয়াতের কাজ করিনি। এর দ্বারা প্রতিয়মান হল যে, যদি দাওয়াতের কাজ করতে গিয়ে যদি ভাল ফল না হয় এবং কোন পাপ বা ক্ষতি হয়  অথবা কোন পাপ ক্ষতির আশংকা থাকলে সে দাওয়াত পরিত্যাগ করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদেরকে ডাকে তাদেরকে (সে সকল মুশরিককে) গালি-গালাজ কর না তবে তাদের ক্ষতিতে তারা আল্লাহকে অজ্ঞতাবশতঃ গালি-গালাজ করবে । মুশরিকরা খারাপ এবং তারা গালি পাওয়ার যোগ্য। তবে মুশরিকদেরকে গালি-গালাজ করলে কোন লাভ নেই বরং ক্ষতির আশংকা আছে যে তারা আল্লাহ তায়ালাকে গালি-গালাজ করবে। এ কারণে আল্লাহ তায়ালা মুশরিকদেরকে গালি-গালাজ করতে নিষেধ করেছেন।

দাওয়াতের মধ্যে আরেকটি আদর্শ হল, মূল বিষয়গুলো স¤পর্কে দাওয়াত দেয়া ও শাখা বিষয়ের দাওয়াত পরিত্যাগ করা। হযরত আয়েশা রা. বলেন, ইসলামের শুরুতে যে সূরা গুলোতে জান্নাত-জাহান্নাম স¤পর্কে আলোচনা এবং ভাল কাজ করলে কি কি পুরস্কার আাল্লহ তায়ালা ইহজগতে ও পরজগতে প্রদান করবেন এবং খারাপ কাজ করলে তার পরিণতি কি হবে এবং দুনিয়া ও আরেখরাতে কি কি শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে এ বিষয়গুলো স¤পর্কে আলোচনা আছে সে সূরাগুলো অবতির্ণ হয়। অতপর যখন মানুষ ইসলামে পাকাপোক্ত হয়ে যায় ও ইসলাম স¤পর্কে মুসলমানগণের অন্তর উম্মুক্ত হয়ে যায় তখন হালাল-হারামের বিধান অবতির্ণ হয়। যদি ইসলামের শুরুতে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিতেন, ‘তোমরা মদ পান করবে না’  তবে লোকজন বলত, ‘আমরা মদ ত্যাগ করতে পারব না’। যদি নির্দেশ দিতেন, ‘ব্যভিচার কর না’ তবে বলত, ‘আমরা ব্যভিচার ত্যাগ করতে পারব না’ । অতএব ইসলামের শাখা বিষয় হালাল-হারাম, আদেশ-নিষেধের বিধান ইসলামের শেষ যুগে আসছে আর প্রথম যুগে ইসলামের মূল বিষয়: আল্লাহ ও রাসূলা সা. এর প্রতি ঈমান, আখেরাত ও জান্নাত-জাহান্নামের প্রতি বিশ্বাস ও ভাল কাজ করলে কি লাভ ও খারাপ কাজ করলে কি ক্ষতি এ সকল মূল বিষয়ের দাওয়াত পরে আসছে। এ কারণে দাওয়াত দেয়ার ক্ষেত্রে শাখা বিষয়ের তুলনায় মূল বিষয়গুলোর প্রাধান্য দিতে হবে।

রাসূল সা. হযরত মুআ’জ রা. কে ইয়ামানে পাঠাচ্ছেন। সে সময়ে রাসূল সা. তাকে দাওয়াত দেয়ার নিয়ম বলে দিচ্ছেন। যখন ইয়ামানবাসীর কাছে যাবে তাদেরকে প্রথমে এ কথার সাক্ষ্য দিতে দাওয়াত দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই ও মুহাম্মদ সা. আল্লাহর রাসূল। যদি তারা এ দাওয়াত গ্রহণ করে তবে তাদেরকে বলবে যে, আল্লাহ তায়ালা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। যদি তারা গ্রহণ করে তবে তাদেরকে বলবে যে, আল্লাহ তাদের উপর গরীবদেরকে দেয়ার জন্য তাদের স¤পদ থেকে যাকাত ফরজ করেছেন। আর যাকাত সংগ্রহের সময় মানুষের স¤পদের মধ্যে সেরাটা থেকে বেঁচে থাক। (অর্থাৎ মধ্যম মানের স¤পদ গ্রহণ করবে) । মূল কথা প্রথমে ঈমানের দাওয়াত দিতে হবে পরবর্তীতে শাখা বিষয়ের দাওয়াত দিতে হবে। একজন ধনী ব্যক্তি নামাজ পড়ে না, যাকাত দেয় না। তার মত একজন ধনী মানুষ ধার্মীক হলে ইসলামের অনেক উপকার হবে। অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা তার অনুদানে চলতে পারে। এখন যদি সে ধনী ব্যক্তিকে প্রথমেই শাখা বিষয় মসজিদ-মাদ্রাসায় অনুদান করতে দাওয়াত দেয়া হয় তবে সে দাওয়াত কার্যকর হবে না। বরং সে ভাবতে থাকবে তার মত ধনী লোকের পিছনে সব হুজুররা লাইন ধরে। আর যদি তাকে প্রথমে মূল বিষয় আল্লাহ রাসূল ও আখেরাতের বিনিময়ের বিশ্বাসের দাওয়াত দেয়া হয় ও তাকে নামাজ পড়তে আগ্রহী করা যায় তবে সে সকল শাখা কাজ যাকাত দেয়া, মসজিদ, মাদ্রাসায় অনুদান করা আগ্রহ ভরে এবং নিজের প্রয়োজন মনে করে করবে। যখন সে বিশ্বাস করবে মানুষ মৃত্যুবরণ করলে সাদাকা জারীয়া প্রবাহমান থাকে তখন দান খয়রাত নিজের তাকিদেই করবে। এরকম দাওয়াতই কার্যকর হবে। আমরা কাউকে দেখছি যে তারা সুদ খাচ্ছে, ঘুষ খাচ্ছে, গান-সিনেমা, অবাধ মেলামেশা ইত্যাদি পাপ কাজে লিপ্ত আছে তবে তাদেরকে কিভাবে দাওয়াত দিব? তাদেরকে বলব, সুদ খাবেন না, ঘুষ খাবেন না, গান-সিনেমা দেখবেন না, অবাধ মেলামেশা করবেন না কারণ তা অনেক বড় পাপ। তবেই কি তারা এ সকল পাপ পরিত্যাগ করবে? আমরা তাদেরকে প্রথমে আখেরাতে বিশ্বাসের কথা বলব এবং দুনিয়ার তুলনায় আখেরাতের সুখ-শান্তি প্রকৃত ও স্থায়ী সে বিশ্বাসের কথা বলব। যদি এ বিশ্বাস তাদের মধ্যে বদ্ধমূল হয় তবে তাদের পক্ষে সকল পাপ পরিত্যাগ করা সহজ হবে। তবে কি আমরা পাপীদেরকে পাপ কাজ স¤পর্কে কিছুই বলব না এবং তাদের সাথে পূর্বের স¤পর্ক বজায় রাখব? না, অবশ্যই পাপকে ঘৃণা করতে হবে এবং পূর্বের স¤পর্ক ছিন্ন করতে হবে এবং কৌশল অবলম্বন করতে হবে কিভাবে এ সকল পাপ দমন করা যায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, তারা চায় যে আপনি নমনীয় হন তবে তারা নমনীয় হবে । মুশরিকরা রাসূল সা. এর কাছে বলল, আপনি আমাদের দেব-দেবীকে মানেন তবে আমরাও আপনার আল্লাহকে মানব। আপনি আমাদের মন্দিরে এসে মূর্তিপূজা করেন তবে আমরাও আপানাদের মসজিদে গিয়ে সেজদা করব। 

এ বিষয়টিকে বর্তমান ভাষায় অসা¤প্রদায়িকতা ভাবা হয়। অর্থাৎ মুসলমানগণ হিন্দুদের মন্দিরে যাবে এবং তাদের দেবীদেরকে সম্মান করবে আর হিন্দুরা মুসলামানদের মসজিদে যাবে এবং জানাজায় অংশগ্রহণ করবে। মুসলামানগণ হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পূজা ইত্যাদিতে যোগ দিবে এবং হিন্দুরাও মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদ ইত্যাদি মুসলমানদের কাধে কাধ মিলিয়ে উদযাপন করবে। তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের ভাষায় এভাবে দেশে সম্প্রতি তৈরি হবে এবং ধর্মীয় সহিষ্ণুতা প্রতিষ্ঠিত হবে। বাহ্যিকভাবে কত সুন্দর আহবান ‘মুশরিকদের পক্ষ থেকে কত সুন্দর শান্তি ও সহাবস্থানের প্রস্তাব’ আল্লাহ তায়ালা তাদের প্রতি উত্তরে কুরআনের আয়াত অবতির্ণ করেন। আপনি বলেন, হে মূর্খরা! তোমরা কি আমাকে আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো এবাদত করতে আদেশ করছ? অথচ আপনার কাছে ও আপনার পূর্ববর্তীগণের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে বার্তা পাঠানো হয়েছে যে, যদি আপনি শরীক করেন তবে আপানার আমল নষ্ট হবে ও আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। বরং আপনি আল্লাহর ইবাদত করুন ও কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত থাকুন । অন্য এক সূরায় আল্লাহ তায়ালা রাসূল সা. কে এ সকল কাফেরদের উদ্দেশ্যে ¯পষ্ট ঘোষণা করতে নির্দেশ করেন। বলুন, হে কাফেররা, তোমরা যার ইবাদত কর আমি তার ইবাদত করব না। আমি যার ইবাদত করি তোমরাও তার ইবাদত করবে না। তোমরা যার ইবাদত কর আমি তার ইবাদত কারী নই এবং তোমরাও তার ইবাদতকারী নও আমি যার ইবাদত কারী। তোমাদের দ্বীন তোমাদের আর আমার দ্বীন আমার। ধর্মীয় স¤প্রীতি ও সহাবস্থান যেভাবে সম্ভব রাসূল সা. এর মদিনা সনদের মাধ্যমে মুশরিক, ইহুদী ও মুসলমান সবার মাঝে স্থাপিত ছিল। 

সকল ধর্মের মানুষ আপন তা ধর্মীয় কর্ম পালন করবে এবং জাগতিক বিষয়: ব্যবসা-বাণিজ্য, সুন্দর আচরণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সকলে মিলে আপন দেশের পক্ষে কাজ করবে। দেশবিরোধী সকলের বিরুদ্ধে একসাথে লড়বে। সুখে-দূঃখে সকলে পাশাপাশি থাকবে। তবে অন্যায় কাজে কোন আপোষ নেই । আমি জানি একজন ঘুষ খায়, দুর্নীতি করে তার সাথে কোন আপোষ নেই। তার পাপের সাথে কোন নমনীয় আচরণ নেই। এমনিভাবে আল্লাহ ও রাসূল সা. বিরোধী কোন কাজে ও আপোষ নেই। মুশরিকদের মন্দিরে যাওয়া বা বিধর্মীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পূজা ইত্যাদিতে যোগদান করা আল্লাহ তায়ালার আদেশ বিরোধী তাই এমন কাজে কোন আপোস বা সম্প্রীতি নয়। এরকম অসাম্প্রদায়িকতা বা সম্প্রীতির আহবান পক্ষান্তরে ধমান্তর বা ধর্ম ত্যাগের আহবান। এর জ্বলন্ত প্রমাণ হল, আমরা মুসলমানগণ সম্প্রীতির নামের হিন্দুদের দেবীদের সামনে মাথা নত করি অথচ কোন হিন্দুকে আজ পর্যন্ত মসজিদে এসে আল্লাহর সামনে মাথা নত করতে দেখি নি।(ক্রমশ:)

সংস্কার ২৪১ মার্চ ২০১৯