সম্পাদকীয়

আজ ১৪ এপ্রিল। বাংলা সনের প্রথম দিন। পহেলা বৈশাখ। পৃথিবীর কোন বাংলা ভাষাভাষি সমাজে কিছু ঘটুক বা না ঘটুক বাংলাদেশে কিন্তু আজ ঘটবে মহাযজ্ঞ। এই দিনের জন্যে চৈত্রের আগমনের সাথে সাথেই শুরু হয় এই মহা আয়োজন। .......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-কুরআন

৩৭. তার কথার প্রসঙ্গে তার সাথি তাকে বললো; তুমি কি তোমার সেই মহান স্রষ্টার প্রতি কুফুরি করলে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, তারপর নোতফা (শুক্রবিন্দু) থেকে, তার পরে মানুষের আকৃতি দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কর.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-হাদীস

হযরত আবু যার রা. হতে বর্ণিত আছে যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির উপর অবশ্য কর্তব্য যে, তার শরীরের প্রত্যেকটি জোড়ের সুস্থতার শোকর স্বরূপ প্রত্যহ সকা.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-কাহাফ: আয়াত ৩৭-৪৮

 ৩৭. তার কথার প্রসঙ্গে তার সাথি তাকে বললো; ‘তুমি কি তোমার সেই মহান স্রষ্টার প্রতি কুফুরি করলে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, তারপর নোতফা (শুক্রবিন্দু) থেকে, তার পরে মানুষের আকৃতি দিয়ে পূর্ণাঙ্গ করে দিয়েছেন?

৩৮. (তুমি যাই বলোনা কেন) সেই মহান আল্লাহই কিন্তু আমার প্রভু। আমি আমার প্রভুর সাথে কাউকেও শরিক করি না।

৩৯. তুমি যখন তোমার বাগানে প্রবেশ করেছিলে, তখন কেন বললে না, ‘আল্লাহ যা চেয়েছেন তাই হয়েছে। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কারো কোনো ক্ষমতা নেই’? তুমি যদি ধনে জনে আমাকে তোমার চাইতে কম মনে করো,

৪০. তবে হয়তো আমার প্রভু তোমার বাগানের চাইতে উত্তম কিছু আমাকে দান করবেন এবং তোমার বাগান আসমান থেকে আগুন পাঠিয়ে জ্বালিয়ে দেবেন, যার ফলে বাগানটি উদ্ভিদ শূন্য মাঠে পরিণত হবে।

৪১. অথবা তোমার বাগানের পানি ভূ-গর্ভে তলিয়ে যেতে পারে এবং ‘তুমি আর কখনো পানির সন্ধান লাভ করতে সক্ষম হবেনা’।

৪২. অত:পর বিপর্যয় তার ফল-ফসলকে পরিবেষ্টন করে নিলো, ফলে সে সেখানে যা খরচ করেছিল তার জন্যে হাত মুচড়িয়ে অনুতাপ করতে লাগল, যখন তার বাগানের মাচানসমূহ ধুলিস্যাত হয়ে গেলো। তখন সে বলতে লাগলো, ‘হায়, হায়! আমি যদি আমার প্রভুর সাথে কাউকেও শরিক না করতাম’!

৪৩. আর আল্লাহর বিরুদ্ধে তাকে সাহায্য করার কোনো বাহিনীই ছিলনা এবং সে নিজেও প্রতিরোধ করার সামর্থ রাখেনি।

৪৪. হ্যাঁ, কর্তৃত্ব পূর্ণরূপে মহাসত্য আল্লাহর। পুরস্কার প্রদানে এবং পরিণাম নির্ধারণে তিনিই সর্বোত্তম।

৪৫. তাদের জন্যে দুনিয়াতে জীবনের (এই) উপমা পেশ করো: দুনিয়ার জীবন হলো সেই পানির মতো যা আমরা আসমান থেকে নাযিল করি। তার ফলে জমিন থেকে ঘন সুনিবিষ্ট উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়। তারপর সেগুলো শুকিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। ফলে বাতাস সেগুলোকে উড়িয়ে নিয়ে যায়। প্রতিটি বিষয়ে আাল্লাহ্ ক্ষমতাবান।

৪৬. ধন-মাল এবং সন্তান-সন্ততি দুনিয়ার জীবনের একটি সৌন্দর্য মাত্র, আর তোমার প্রভুর কাছে পুরস্কার আর প্রত্যাশিত বস্তু হিসেবে উত্তম হলো স্থায়ী ও চলমান পুণ্যকাজ।

৪৭. স্মরণ করো, যেদিন আমরা পর্বতমালাকে তলিয়ে দেবো এবং তুমি পৃথিবীকে দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত প্রান্তর । সেদিন আমরা (সেখানে) সবাইকে হাশর (একত্র) করবো এবং একজনকেও অব্যাহতি দেবোনা।

৪৮. তাদেরকে তোমার প্রভুর সামনে সারিবদ্ধ ভাবে উপস্থাপন করা হবে। তখন বলা হবে, আজ তোমরা আমাদের কাছে এসেছো ঠিক সেভাবে, যেভাবে আমরা প্রথমবার তোমাদের সৃষ্টি করেছিলাম। বরং তোমরা মনে করতে, তোমাদের জন্যে আমরা প্রতিশ্র“ত দিনটি কখনো সংঘটিতই করবো না’। (ক্রমশ:)

সংস্কার ২৪১ মার্চ ২০১৯