সম্পাদকীয়

আজ ১৪ এপ্রিল। বাংলা সনের প্রথম দিন। পহেলা বৈশাখ। পৃথিবীর কোন বাংলা ভাষাভাষি সমাজে কিছু ঘটুক বা না ঘটুক বাংলাদেশে কিন্তু আজ ঘটবে মহাযজ্ঞ। এই দিনের জন্যে চৈত্রের আগমনের সাথে সাথেই শুরু হয় এই মহা আয়োজন। .......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-কুরআন

৩৭. তার কথার প্রসঙ্গে তার সাথি তাকে বললো; তুমি কি তোমার সেই মহান স্রষ্টার প্রতি কুফুরি করলে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, তারপর নোতফা (শুক্রবিন্দু) থেকে, তার পরে মানুষের আকৃতি দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কর.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-হাদীস

হযরত আবু যার রা. হতে বর্ণিত আছে যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির উপর অবশ্য কর্তব্য যে, তার শরীরের প্রত্যেকটি জোড়ের সুস্থতার শোকর স্বরূপ প্রত্যহ সকা.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল হাদীস

হযরত আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত আছে যে,  রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি উত্তমরূপে অযূ করে এবং অযূকে পরিপূর্ণরূপে করে। অত:পর সে শুধু নামাযের উদ্দেশ্যে মসজিদে আসে আল্লাহ তায়ালা সেই বান্দার উপর এমন খুশী হন যে রূপ দূরে চলে যাওয়া কোন আত্মীয় হঠাৎ আগমন করলে ঘরের লোকে খুশী হয়। (ইবনু খুযাইমাহ)

হযরত বারা ইবনু আযেব রা. হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাতারের এক কিনারা থেকে অপর কিনারা পর্যন্ত যান। আমাদের সিনা ও কাঁধের উপর হাত রেখে কাতারগুলোকে সোজা করতেন এবং বলতেন, কাতারে আগপিছু করো না। যদি এমন হয় তবে তোমাদের অন্তরে একের সাথে অন্যের বিভেদ সৃষ্টি হয়ে যাবে। আল্লাহ তায়ালা প্রথম কাতারওয়ালাদের উপর রহমত নাযিল করেন এবং ফেরেশতাগণ তাদের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করে। (আবু দাউদ)

হযরত আনাস ইবনু মালেক রা. বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামায জামাতের সাথে আদায় করে। অত:পর সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালার যিকিরে মাশগুল থাকে, তারপর দুই রাকাত নফল পড়ে তবে সে হজ্জ ও ওমরার সওয়াব লাভ করে। হযরত  আনাস রা. বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন বার ইরশাদ করেছেন, পরিপূর্ণ হজ্জ ও ওমরার সওয়াব, পরিপূর্ণ হজ্জ ও ওমরার সওয়াব, পরিপূর্ণ হজ্জ ও ওমরার সওয়াব লাভ করে। (তিরমিযী)

 হযরত আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যখন তুমি ঘরে প্রবেশ কর তখন দুই রাকাত নামায পড়ে লও। এই দু’রাকাত তোমার ঘরে প্রবেশের পরের খারাপ থেকে বাঁচাবে। এমনিভাবে ঘর থেকে বাহির হওয়ার পূর্বে দুই রাকাত (নামায) পড়ে লও। এই দু’রাকাত তোমাকে বাহির হওয়ার পরের খারাপ থেকে বাঁচাবে। (বাযযার, মাজমায়ে যাওয়ায়েদ)

হযরত আবু যার রা. বলেন,  আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই ইরশাদ করতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি একটি রুকু করে অথবা একটি সেজদা করে তার একটি (মর্তবা) উন্নত করে দেওয়া হয় এবং তার একটি গুণাহ মাফ করে দেওয়া হয়। (মুসনাদে আহমদ,  তাবারানী, মাজমায়ে যাওয়ায়েদ)         

হযরত ইবনু আব্বাস রা. হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, চারটি জিনিস এমন আছে যে তা পেল সে দুনিয়া ও আখেরাতের সকল কল্যাণ পেয়ে গেল। ১. শোকরকারী দিল, ২. যিকিরকারী জিহ্বা, ৩. মুসীবতের উপর সবরকারী. ৪. এমন স্ত্রী যে না নিজের ব্যাপারে খেয়ানত করে, অর্থাৎ চরিত্রকে পাক রাখে, আর না স্বামীর অর্থ সম্পদের খেয়ানত করে। (তাবারানী, মাজমায়ে যাওয়ায়েদ)

সংস্কার ২৪১ মার্চ ২০১৯